বাংলা ভাষার সংকট নিয়ে অনেকেই নানা কথা বলছেন। সোচ্চার হয়েছেন বহু মানুষ। লক্ষ্যণীয়, গত সাত দশকের বেশি সময় ধরে বাঙালির ইতিহাসকে গুলিয়ে দিয়ে, অন্ধকারে চেপে রেখে বাংলা ভাষার লড়াইকেই ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৯১২ থেকে ১৯৬১ সাল ও তার পরেও বাঙালিদের মাতৃভাষার জন্য এই দেশে বার বার আন্দোলন করতে হয়েছে, যা অন্য কোনও রাজ্যকে করতে হয়নি। সর্বশেষ বিদ্রোহ করেছিলেন আসামের বরাক উপত্যকার মানুষ। সেই এলাকায় বাংলা ভাষাকেও সরকারি ভাষার মর্যাদা দিতে বাধ্য হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এখন ফের বাঙালি-বিদ্বেষকে উস্কে দিতে কেন্দ্রীয় স...

ভুসুকু আজ বঙ্গালি ভৈলি... 

ভুসুকু পাদের এই চর্যাপদই চিনিয়ে দিয়েছিল বাংলা ভাষার শিকড় চর্যাপদে, সংস্কৃতে নয়। চর্যাপদের সেই কবিরা কেবল মানুষের জীবনচর্চা ও জীবনচর্যাকেই চর্চার দোঁহায় ঢালেননি, মানুষের জীবনের অধিকার রক্ষার প্রেরণাও দিয়েছেন। এই সবই একজন, এবং অন্যদেরও, মহামানবদের কথাই বলে দেয় ' জগতের সকলের ভাল হোক। 

বৌদ্ধ ধর্মাঙ্কুর সভায় ৩৮টি গল্পের সংকলন "বৌদ্ধচেতনার গল্পগুচ্ছ"-র মোড়ক উন্মোচন করে একথা জানালেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক একুশে পদক জয়ী সেলিনা হোসেন।। ছিলেন আরেক একুশে পদকজয়ী বিশিষ্ট বাঁ...

যমের বোন যমী চেয়েছিল ভাই তার গর্ভে সন্তান দিক। যম তা প্রত্যাখ্যান করে প্রথম মরণশীল মানুষ থেকে দেবতা হলেন, যমী রইলেন উপেক্ষিতা। সমাজে শ্লীলতার এক নতুন চেতনা এল। বোনেরা তাই পালন করেন ভাইফোটায়…

ঋকবেদের যম-যমী সংবাদ-এ বলা হয়েছে, যমী বার বার নানা ভাবে যমকে বোঝাতে চাইছেন তার কামার্ত শরীরের কথা, তার অভিলাষের কথা। তিনি এক পুরুষ ও এক নারীর স্বাভাবিক সম্পর্কের উদাহরণ দিচ্ছেন। কখনও মনে করিয়েছেন যে, যম বীর, যমী এক নারী হিসাবে তার কাছে আর্তি নিয়ে এসেছেন। বীর এর ধর্ম তা রক্ষা করা। এ-কথাও বলছেন, “সে কিসের ভ্রাত...

দীপাবলী বা দেওয়ালি যে নামেই ডাক না কেন, বাঙালির কাছে সেটি কালীপুজো। মহাকালের শক্তিরূপিনী কালী বা মহাকালীর আরাধনার উৎসব। সেদিন দীপের আলোয় উদ্ভাসিত হয় ঘরগেরস্তি। বাঙালি বলে দীপাবলি, হিন্দীভাষীরা বলেন দেওয়ালি। সেই রাতে নাকি জুয়া খেলে ফতুর হয়ে যেতে হয়। ‘দিওয়ালা হো যাতা হ্যায়’ বলেই নাকি দেওয়ালি। বাঙালি মনন জুয়া খেলে না, কালীকে নিয়ে গান বাঁধে, কার্তিকের অমানিশায় আলোর সন্ধান দেয়। বাঙালি একদিন আগে থেকেই সন্ধ্যায় আলোকমালায় সাজায় ঘরদুয়ার। এটি তাদের কাছে আলোর উৎসব। দীপালিকা। “ঘরে ঘরে ডাক পাঠালো, দীপালিকায়...

কাজীদা মানে সাংবাদিক কাজী ফজলে ইলাহী। সিটিভএন,  সিএন টিভি চ্যানেলে ছিলেন। তার আগে ক্যালকাটা অবজার্ভার। প্রেস ক্লাবে দীর্ঘদিন নানা পদে ছিলেন। 

   এটাই সব নয়। 

   অনেকেই জানতেন না, আজ থেকে পাঁচ দশক আগে, উদাহরণ তৈরি করে কাজী দা এক হিন্দু রমনীকে ঘরণী করেছিলেন। একই শহরে থাকি। বহুদিন ফেরার পথে দেখা হতো, বাসে বা ট্রেনে। বুধবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে ফুল কিনতেন। পরের ফিন, বৃহস্পতিবার, বৌদি ঘরে লক্ষ্মীর পাঁচালী পড়ে পুজো দিতেন। ধর্ম-সমন্বয়ের উদাহরণ নিজের সংসারেই তৈরি করেছিলেন। 

...

সময়টা সম্ভবত ১৯৮০। দিল্লিতে আফ্রো-এশিয়ান ইয়ং প্রোগ্রেসিভ রাইটার্স অ্যাসোশিয়েসনের একটা সম্মেলন হচ্ছে। কলকাতা থেকে পাঁচজনকে প্রতিনিধি করে পাঠিয়েছিলেন কথসাহিত্যিক সৌরী ঘটক। কবি অপূর্ব কর, আফসার আহমেদ, কেশব দাস, আমি আর একজন (মনে পড়ছে না নামটা) গিয়েছি। আফসারের 'ঘরগেরস্তি' উপন্যাস সেবারই 'শারদীয় কালান্তর'এ প্রকাশিত হয়েছে। চমকে দিয়েছে আমাদের। উদ্যোক্তা ভীষম সাহানি। বিজ্ঞান ভবনে উদ্বোধনে রাষ্ট্রপতি আসবেন। আমরা ঢুকতে যাব, বডি সার্চিং হচ্ছে। চারজন পাস করলাম, আটকে গেলেন অপূর্ব কর। তার কোমরে যন্ত্র ছোঁয়ালেই...

কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিতে ১৯১৭ সালে ব্রিটিশের নবগঠিত ৪৯ নং বেঙ্গলি রেজিমেন্টে যোগ দেন। তখন তিনি বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার রানিগঞ্জের শিয়ারশোল রাজ হাইস্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র। রোল নং ১।  সামনে মেট্রিকুলেশান পরীক্ষা। অনেকের আশা, পরীক্ষা দিয়ে নজরুল জলপানি পাবে। কিন্তু সকলকে বিস্মিত আর হতাশ করে নজরুল দেশপ্রেমের টানে চলে গেলেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে। পরে বোধহয় সেকারণেই লিখেছিলেন--

“সবাই যখন বুদ্ধি যোগায়, আমরা করি ভুল
আর সাবধানীরা বাঁধ ভাঙে সব, আমরা ভাঙি কূল।”

   নজরুলের প্রিয় বন্ধু...

   

   পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করলেন চট্রগ্রাম অস্ত্রাগার দখলের নায়ক মাষ্টারদা সূর্যসেন-লোকনাথ বল -প্রীতিলতা ওয়েদ্দেদার-অনন্ত সিং-গণেশ ঘোষ-রণধীর দাশগুপ্তদের সহযোদ্ধা আশালতা সরকার। বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর। 

শনিবার সকাল ৮.৪৫ নাগাদ শ্রীরামপুরের বাড়ীতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বেশ কিছুদিন যাবৎই তিনি বয়সজনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন। বিকালে উত্তরপাড়া শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

   মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৩০ সালে চট্রগ্রাম অস্ত্রাগার দখলের সময় তার গুলিতে  আহত হয়...

Please reload

সাম্প্রতিক পোস্ট
Please reload

Archive
Please reload

A N  O N L I N E  M A G A Z I N E 

Copyright © 2016-2019 Bodh. All rights reserved.

For reprint rights contact: bodhmag@gmail.com

Designed, Developed & Maintained by: Debayan Mukherjee

Contact: +91 98046 04998  |  Mail: questforcreation@gmail.com