পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সত্যিই খুব উদ্বেগজনক। লোকসভা নির্বাচনের পর বিজেপির আশাতীত ফল tmc কে যতখানি কোণঠাসা করেছে, তার চাইতে বেশি বিড়ম্বনা বেড়েছে রাজ্যবাসীর। খোলামনে ভোট দেওয়ার ও কি উপায় নেই ? এ কেমন গণতন্ত্রে বাস করছি আমরা?

   প্রশ্নটা উঠেছিল পঞ্চায়েত নির্বাচনের রক্তক্ষয় আর এক তরফা নির্বাচনের প্রহসনের পর। ভোটে  দাঁড়াতেই দেবে না শাসক দল, মনোনয়ন জমাই করতে দেবে না, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবে শাসক দলের প্রার্থী।পঞ্চায়েতের নির্বাচনের এই ব্যাপক হিংসা প্রমাণ করেছিল এ রাজ্যের র...

বাহাত্তর তম স্বাধীনতাদিবস উদযাপন নিয়ে প্রস্তুতি দেশ জুড়ে। নানা অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা তুলে ধরে জাতীয় দিবসে গর্বিত হওয়ার দিন সমাগত।ফি বছরই দিনটি জাতীয় উৎসবের, কিন্তু ফি বছরই দেশটা আরো আরো বেশি অনৈক্যে বিদীর্ণ হতে হতে জাতিসত্ত্বা আজ সংকটে। ঠিক যে উদ্দেশ্যে স্বাধীনতার উদযাপন সেই অখন্ড জাতীয়তাবোধটাই হারাতে বসেছে,সেই জাতীয়তাবোধের স্থানে আমদানি করা হচ্ছে মুসোলিনি -হিটলারের আগ্রাসী জাতীয়তার ধারণা, যা শুধু গোটা দেশকেই  বিপন্ন করে না, জাতিসত্ত্বার প্রকৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে তার কাঠামো ভেঙে ছুঁড়ে ফেলে দেয় । নানা...

কলকাতার রাজপথে আছড়ে পড়লো আসামের কান্না ,প্রতিবাদ, প্রতিরোধের বজ্রনির্ঘোষ।  নাগরিক বাছাইয়ের নামে বাঙালি তাড়ানোর চক্রান্তের বিরুদ্ধে এদিন সারা ভারত অসম সংহতি মঞ্চের ডাকে সমাজ ও সংস্কৃতির নানা ক্ষেত্রের বহু মানুষ পথে নামলেন।মিছিল শেষে ধর্মতলার ওয়াই রোডে সমাবেশ থেকে উঠলো হুঙ্কার: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে যারা রাজনীতির অস্ত্র করছে,বাঙালি তাড়ানোর চক্রান্তে যারা লিপ্ত তাদের বাঙালি ছেড়ে দেবে না।মিছিলে হাঁটেন অসম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য বিশিষ্ট গবেষক সাহিত্যিক তপোধীর ভট্টাচার্য।

   মিছিল শুরুর...

শিক্ষাক্ষেত্রের দিশাহীনতার জন্যে কাকে দায়ী করবেন? যে শিক্ষা ব্যবস্থা দশ শতাংশ ছাত্রছাত্রীকে নিয়োগ যোগ্য করে তুলতে পারেন না, সেই শিক্ষা ব্যবস্থার গলদ টা কোথায়? এই মুহূর্তে দেশের সামনে এই প্রশ্নটি কেউ তোলে না, যদিও খুব জরুরি।

   একথা ভেবে সরকার চেয়েছিল বেকার সমস্যার মোকাবিলায় স্কিল ইন্ডিয়া স্কিমকে সারা দেশে ছড়িয়ে লক্ষ লক্ষ বেকার হাতে কাজ দিতে।কিন্তু তার জন্য উচিত ছিল মূল শিক্ষা ব্যবস্থাকেই কর্ম উপযোগী করে তোলা।জ্ঞান ও কর্মের সমন্বয়ে একজন ক্রমশ দক্ষ হয়ে ওঠে। দক্ষ নাগরিক তৈরি হলে দেশের উৎপাদন বাড়ে।আয়...

আইনসভা না আইন? বিচারপতি না বিচার ব্যবস্থা? গণতন্ত্রে কার অগ্রাধিকার? মানুষ কার প্রতি আস্থা রাখবে?

   সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে  বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে সরকারের সাম্প্রতিক বিতর্ক একটি যথার্থ প্রশ্ন তুলে ধরেছে। বিচারপতি নিয়োগ কিংবা অপসারনে সরকারের কোনো ভূমিকা থাকা উচিত কিনা? সংবিধান রচয়িতারা নিজেরাই এ নিয়ে  সকলেই এক মত ছিলেন না। যারা সরকারের অধিকারের পক্ষে ছিলেন, তাদের ভাবনা ছিল এরকম যে, আইনসভার সদস্যদের নির্বাচিত করেছে  জনগন,তাই জন স্বার্থেই বিচারপতিদের নিয়োগ ও অপসারণে সরকার অধিকারী থাকবেন,তবে অপসারণের ক্...

ভালোবাসার জন্ম আছে। মরণও আছে। তবু অন্তহীন.....

   ভালোবাসা প্রত্যাশাহীন হয়েই জন্মায়। কিন্তু ধীরে ধীরে প্রত্যাশার জন্ম দেয়। তখন থেকেই ভালোবাসা চাওয়া-পাওয়াতে বদলাতে থাকে। ক্রমশ চাওয়া-পাওয়ার দোলদুলুনিতে ভালোবাসায় টানাপোড়েন শুরু হয়। না পাওয়ার পাল্লা ভারী হলে সেই টানে ভালোবাসা যন্ত্রণাময় হয়ে ওঠে।

   বিশ্বাসের ভিত্তি হল বোঝাপড়া। একটি মন অন্য কোনও মনকে সঙ্গী হিসেবে চায়। মানসিকতা ও মূল্যবোধ যদি মিলে যায় তখন বোঝাপড়া তৈরি হয়। যদি সাড়া মেলে অন্তরে, তার প্রতি তখন বোঝাপড়া তৈরি হয়।

   ভালোবাসার কোনোও ব...

   

   সমস্ত সাংবিধানিক রীতিনীতিকে নস্যাৎ করে ক্ষমতাকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে আগ্রাসী হয়ে উঠেছেন নরেন্দ্র মোদি। সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে ভরাডুবির পর উনিশের দেওয়াল লিখন যে তাঁর জন্য “আচ্ছে দিন” আনছে না এটা বোধ হয় তিনি বুঝে গেছেন। তাই এখন থেকেই দিল্লি থেকে নির্দেশ গেছে দুটি স্তরে – সমস্ত রাজ্য বিজেপি’র শাখায় দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, তারা যেন জনগণের কাছে গিয়ে কেন্দ্রিয় প্রকল্পের সুবিধাগুলি বুঝিয়ে মোদি সরকারের সাফল্য তুলে ধরে। একইভাবে প্রশাসনিক স্তরে নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে , দেশের...

কাঠগোড়ায় জাঙ্কফুড-ফাস্টফুড। বাড়ছে রক্তাল্পতা। সুষম খাবারের অভ্যাস চান ডাক্তাররা

এমনিতে দেখে মনে হয় কোনো সমস্যা নেই। আপাতদৃষ্টিতে কেউ কেউ বরং স্বাস্থ্যবানই। কিন্তু আদতে দেখা যাচ্ছে, সচ্ছল পরিবারের প্রায় অর্ধেক কিশোর-কিশোরীরাই অপুষ্টিতে ভুগছে। জাঙ্কফুড-ফাস্টফুডের আতিশয্যে সুষম খাদ্য থেকে বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছে উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েরা। কলকাতার দুটি সরকারি অ্যাডোলেস্ট ক্লিনিকের ভিড়ে এমন জাঙ্কফুড বিলাসী এই কিশোরদের সিংহভাগই রক্তাল্পতার শিকার। কিন্তু কৈশোরে অপুষ্টির শিকার বাস্তবে কত জন, বা এর আনুপাতিক হার ক...

প্রণব মুখার্জী গিয়ে সেম সাইড গোল খেয়ে ফিরলেন।। তাঁর আর এস এসের সদর দপ্তরে যাওয়া  নিয়ে প্রবল রাজনৈতিক বিতর্ক ওঠে। কংগ্রেসের ভিতরে বাইরে সমালোচনার ঝড় ওঠে। রাহুল গান্ধী নিজেও টুইটারে মুখ খোলেন।  মত পরিবর্তনের আর্জি জানিয়ে শেষ মুহূর্তে আর এস এসের অনুষ্ঠানে না যেতে অনুরোধ করেন প্রণব - কন্যা নিজেও। কিন্তু নিজের প্রতি অগাধ আস্থায় অটল প্রণববাবু সেখানে গেলেন।ভেবেছিলেন হয়ত ভিনি ভিডি ভিসি র মতো করে বাঘের ঘরে ঢুকেই বাঘ মেরে আসবেন।কিন্তু সেটা আর হলো না।রাজনীতির কুটিল খেলায় এতদিন অপরাজিত থেকেও শেষে তাল কেটে ফ...

শিক্ষার সমস্যা নিয়ে আলোচনা করার সময় নানা দিক থেকে নানা কথা বলা হয়।আসল কথাটা কেউ বলেন না।সেটা হলো, শিক্ষার লক্ষ্যটা ঠিক করে ক্ষমতা। সে তার স্বার্থেই গড়ে নিতে চায় এমন একটি অজ্ঞাবাহী দক্ষ অনুগামী যে তাঁকে তার লক্ষ্যে পৌঁছে দেবে কিন্তু কখনো মাথা উঁচু করে নিজের দাবিতে সংগঠিত হবে না। এই ভাবেই এক সময় শিক্ষাকে নিয়ন্ত্রণ করত চার্চ। তারপর রাষ্ট্র।তার ক্ষমতায় যে যখন আসে সেই ই নিজের স্বার্থে শিক্ষার বদল ঘটায় রূপে-স্বরূপে-কাঠামোয়-নিয়ন্ত্রণের রকম ফেরে।শিক্ষা নিয়ে আলোচনার আগে, শিক্ষার সমস্যা নিয়ে সমাধানের কথা...

শিক্ষা নিয়ে সেস দিচ্ছে জনগণ, অর্থ গুনছে দেশের মানুষ।আর তার সুফলের দিক নির্দেশ হচ্ছে,শিল্পের চাহিদার দিকে। নয়া উদারর্নীতির লক্ষ্য পুরণের দায় নিয়েছে সরকার।কিন্তু গোড়াটাই ভাবা হচ্ছে না। শিক্ষা ক্ষেত্রে কেবলই উপর থেকে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে।নতুন নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গড়লেই সমাধান হবে না।এখন যেভাবে সমগ্র নামে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে তাতে সাক্ষরতা থেকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার স্বার্থ সংকুচিত হবে।কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ তালিকায় আনা থেকেই সমস্যা শুরু।শিক্ষার দায়িত্ত্ব কার,সেটি সাংবিধানিকভাবে নির্দিষ্ট কিন্ত এ...

ক'দিন আগেই সারা ভারতের সর্বত্র বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছেন। ১০০% গ্রামেই সরকারি উদ্যোগে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া গেল বলে তিনি দাবি করেন। গত ২৮শে এপ্রিল মণিপুরের একটি ছোট্ট গ্রাম লিসানে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে ওই দিনটিকে ভারতের উন্নয়নযাত্রার একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে তিনি মন্তব্য করেন। নরেন্দ্র মোদীর এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই মিডিয়াতে প্রবল সমালোচনা হয়। বিদ্যুতায়ন বলতে আসলে মোদী যেটা বোঝাতে চেয়েছিলেন, তা ঘরে ঘরে আলো জ্বলা নয়। কোনো গ্রামের স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা...

রাজ্যের নানা প্রান্তে যত মারামারি হচ্ছে,সেটা যে কারণেই হোক, আর যে স্তরেই হোক, কোনোভাবে তৃণমূল তাতে অভিযুক্ত থাকলে লাভ হচ্ছে বিজেপির। তৃণমূল মারুক না মারুক, সেটার চাইতেও মানুষের কাছে শাসকবিরোধী আশ্রয় হয়ে উঠেছে বিজেপি।তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে এখন এটাই ভাবনার বিষয়।সদ্য শেষ হওয়া পঞ্চায়েত নির্বাচন এই বার্তাই দিয়ে গেছে।

খুন ও রক্তারক্তির অভিযোগে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে মিডিয়া সরব হলেও আসল একটি বিষয় নজর এড়িয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি হল  মারামারি যত বাড়ছে, বিজেপির ভোট তত বাড়ছে। ঝাড়খণ্ডি গুন্ডা ঢুকিয়ে নির্বাচনী সন্ত্র...

   

   বাংলার মাটির গান তুলে আনলেন সমীর আইচ। সঙ্গে তাঁর দুই বন্ধু প্রাণেশ সোম ও তপন রায়। সামনে বসে প্রবাদপ্রতিম অমর পাল।শিষ্যের কণ্ঠে শুনছেন নিজের শেখানো নিজের গাওয়া এক সময়ের বাংলার আকাশে বাতাসে ভেসে বেড়ানো মন উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া গানের ডালি।এমনই এক বিরল মুহূর্তের সাক্ষী থাকলো কলকাতা। আজ বিড়লা একাডেমির প্রেক্ষাগৃহে সন্ধ্যায় শিল্পী সমীর আইচ গাইলেন তাঁর গুরুর গান। নবতিপর অমর পাল জানালেন,এখনো তাঁর হৃদয়জুড়ে সুরের আবেশ,কণ্ঠে তা আর আসে না, এই কষ্টে দিন গুজরান।এখনও ইচ্ছে করে এক তারায় আঙ্গুল দিয়ে বাজাই,...

Please reload

সাম্প্রতিক পোস্ট
Please reload

Archive
Please reload

A N  O N L I N E  M A G A Z I N E 

Copyright © 2016-2019 Bodh. All rights reserved.

For reprint rights contact: bodhmag@gmail.com

Designed, Developed & Maintained by: Debayan Mukherjee

Contact: +91 98046 04998  |  Mail: questforcreation@gmail.com