10.01.2020

হোয়াটসঅ্যাপে কবিদের গ্রুপ  তৈরি আর তা থেকে প্রকাশন,ইদানিং বাংলা সাহিত্যে এরকম একের পর এক সৃজন তৈরি হচ্ছে নতুন  কবি লেখকদের সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা থেকে। সবাই মিলেমিশে গল্প -  কবিতা লেখা আর তার প্রকাশ করার আনন্দটা এখন আর শুধু প্রিন্ট মিডিয়ায় বা লিটল ম্যাগাজিনে আবদ্ধ নেই। তার থেকে সীমানা ছাড়িয়েছে। অনেক কম খরচে আর অনেক দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে এই নেট প্রযুক্তির বিস্তারে। আরো আরো অনেক কবিদের মধ্যে নিজেকে ছড়িয়ে ফেলার সুযোগ এনে দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ কবিদের গ্রুপ।...

ভুসুকু আজ বঙ্গালি ভৈলি... 

ভুসুকু পাদের এই চর্যাপদই চিনিয়ে দিয়েছিল বাংলা ভাষার শিকড় চর্যাপদে, সংস্কৃতে নয়। চর্যাপদের সেই কবিরা কেবল মানুষের জীবনচর্চা ও জীবনচর্যাকেই চর্চার দোঁহায় ঢালেননি, মানুষের জীবনের অধিকার রক্ষার প্রেরণাও দিয়েছেন। এই সবই একজন, এবং অন্যদেরও, মহামানবদের কথাই বলে দেয় ' জগতের সকলের ভাল হোক। 

বৌদ্ধ ধর্মাঙ্কুর সভায় ৩৮টি গল্পের সংকলন "বৌদ্ধচেতনার গল্পগুচ্ছ"-র মোড়ক উন্মোচন করে একথা জানালেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক একুশে পদক জয়ী সেলিনা হোসেন।। ছিলেন আরেক একুশে পদকজয়ী বিশিষ্ট বাঁ...

প্রয়াত হলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক,কবি ও শিক্ষাবিদ নবনীতা দেবসেন। বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। তিনি বেশ কিছু দিন যাবত ক্যানসারে ভুগছিলেন।আজ নিজ বাসভবনে কিছুক্ষণ পূর্বেই সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ চিরবিদায় নিলেন।

নবনীতা দেবসেন (জন্ম ১৩ জানুয়ারী ১৯৩৮) একজন বাঙ্গালি কবি, লেখক এবং শিক্ষাবিদ। ২০০০ সালে উনি পদ্মশ্রী সন্মানে ভূষিত হন।

নবনীতা দেবসেন দক্ষিণ কলকাতায় হিন্দুস্থান পার্কে তার বাবা- মা'র 'ভালবাসা'(এখনো সেখানেই বসবাস করেন) গৃহে জন্মগ্রহণ করেন । পিতা নরেন্দ্র দেব ও মাতা রাধারানী দেবী সেযুগের বিশিষ্ট কবি দম্...

26.01.2019

নিজস্ব প্রতিনিধি:বোধিসত্ত্ব প্রকাশ করলো বইমেলার আগেই বেশ কতগুলি নজর কাড়া বই।প্রত্যেকটি বইএর লেখকরাও প্রখ্যাত। আইনজীবী ও রাজনীতিক অরুণাভ ঘোষের ,সাফ কথা:বিচারবিভাগ,ক্ষমতা,রাজনীতি,  মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্রের লেখা,আন্দোলন,রাজনীতি, মানবাধিকার এবং সুজাত ভদ্র ও সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত অসম সমস্যা:বাঙালির বিচ্ছিন্নতা ও অন্যান্য, বাংলা একাডেমির পুরস্কাপ্রাপ্ত লেখক সুরঞ্জন প্রামাণিকের ভয়তাড়িত সমাজ এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক পৃথ্বীরাজ সেনের চাঞ্চল্যকর বই:নেতাজির মৃত্যু না হত্যা।

   বই প্রকাশ হয় গতকাল...

জাতীয়তা-বোধ বৃদ্ধির বাসনায়  রাষ্ট্র নেতা -নেত্রীরা যে ভাবে প্রাচীন ভারতকে আমাদের সামনে তুলে ধরছেন, তার ঐতিহাসিক ভিত্তি কি অথবা  ইতিহাস আর পৌরাণিক কল্পকথার সীমারেখার  তাদের  ভাবনা  কী  আমরা জ্ঞাত নয়। বক্তব্য গুলিতে নিয়মিত আলোচিত গরু ও  যোগের ঐশ্বরীয় মহিমা ছাড়াও যে কোন  বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে   ভারতকেই  সবচেয়ে উচ্চ-স্থানের অধিকারী হিসাবে তুলে ধরছেনঅথবা প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সত্যকে নস্যাৎ করছেন। তার  সপক্ষে কতখানি আবেগ, কতখানি রাজনীতি আর  কতখানি ইতিহাস চেতনা , সেই প্রশ্নের উত্তর সন্ধান প্রয়োজন।...

আর পাঁচটা সাধারণ বাচ্চার মতো আমিও ক্রিকেট ,ডাং গুলি,লুকোচুরি ইত্যাদি হরেক কিসিমের খেলা খেলতাম ছেলেবেলায়। তবে রোগা পাতলা নড়বড়ে চেহারার জন্য পাত্তা পেতাম না বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই। তাই আমার আমার প্রিয় অবসর বিনোদনের মাধ্যম ছিল গল্পের বই। খুব ছোটবেলা থেকেই হাতের কাছে পেয়েছিলাম কাহিনীর বিশাল জগৎ। আমার কল্পনাবিলাসী মন বুঁদ হয়ে থাকতো সেই রোমাঞ্চের জগতে। একদম ছেলেবেলায় অর্থাৎ থ্রি ফোরে পড়ার সময় আমার অবসর জুড়ে থাকতো 'চাঁদমামা','হাঁদাভোঁদা','বাটুল দি গ্রেট','চাচা চৌধুরী' ইত্যাদি হরেকরকম কমিকসের বই। তারপর যখন...

25.05.2018

বিদ্যাসাগর পুরস্কারে ভূষিত হলেন কবি শ্যামলকান্তি দাশ। তিনি আমাদের এই সময়ের কবিতার এক দুর্লভ ব্যক্তিত্ব, যিনি শুধু নিজে কবিতার এক অনন্য সৃজন ঘটান নি, জীবনভর কবিতার জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন দুই বাংলার কবিদের নিয়ে। তাঁকে পুরস্কারের মাপে দেখতে চাওয়া একটা ধৃষ্টতা। তিনি এই সময়ের এক মহান কালদর্শী কবি যিনি জীবনকেই বেঁধেছেন নিজের কাব্য সাধনায়।

   কবি শ্যামলকান্তি দাশের জন্ম মেদিনীপুর জেলার রাধাকান্তপুর গ্রামে।  কর্মজীবনে তিনি ছিলেন সাংবাদিক। কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'কাগজকুচি' প্রকাশিত হয় ১৯৭৭ সালে।  কব...

এই তো, এই প্ল্যাটফর্মটা দিয়েই তো হারানের মা ওর মেজ ছেলের গুলি খাওয়ার খবরটা পেয়ে পাগলের মতো ওর খসখসে চুলগুলি ছেড়ে দিয়ে ছুটছিল। কে জানো, দুপুরবেলা হারাণের মা যখন ভাতগুলি চটকে মাখছিল, ওর বেড়ার দরজার পাশে এসে বলেছিল, লালগোলা না কোন বর্ডারে জেন তোর ছেলের লাশ দেখেছে ওই পাড়ার লোক। বলল ওরা, বর্ডারে মাল পাস করতে গিয়ে গুলি খেয়েছে রাত্তির বেলা। লাশটা পড়ে আছে দেখেছে।

তার চারদিন পর মাথায় আর ঘাড়ে একটা বিরাট ব্যান্ডেজ বেঁধে হারান আবার এই প্ল্যাটফর্মটাতেইতো লাস্ট ট্রেনে করে এসে আবার নেমেছিল।

খোঁড়াতে খোঁড়াতে ওই পা...

১৯ এপ্রিল ১৮৮৪ রবীন্দ্রনাথের নতুুন বৌঠান অাফিম খেলেন প্রচুর পরিমাণে, তিনি মারা গেলেন দু-দিন
পরে...

সন্ধের পর থেকে জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়িটা নিস্তব্ধ। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রাসাদে বসবাস করলে
সকলে একটু চুপচাপ হয়ে থাকে। মহর্ষি বেশি শব্দ করে হাসাহাসি, জোরে কথা বলা ঘোরতর অপছন্দ করেন।
মহর্ষি যে মহলে রয়েছেন প্রাসাদের সেই অংশটি তাই নীরব হয়ে রয়েছে।
একটা কালো ঢাকাই মসলিনের শাড়ি পরে অায়নার সামনে বসে রয়েছেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের অতুল
প্রতিভাসম্পন্ন সন্তান জ্যোতিরিন্দ্রনাথের স্ত্রী কাদম্বরী দেবী। তাঁর সর্...

মাছি-মারা-কেরানী নিয়ে যত ঠাট্টা-রসিকতাই করি না কেন, মাছি ধরা যে কত শক্ত সে কথা পর্যবেক্ষণশীল ব্যক্তিমাত্ৰই স্বীকার করে নিয়েছেন। মাছিকে যেদিক দিয়েই ধরতে যান না কেন, সে ঠিক সময় উড়ে যাবেই। কারণ অনুসন্ধান করে দেখা গিয়েছে, দুটো চোখ নিয়েই মাছির কারবার নয়, তার সমস্ত মাথা জুড়ে নাকি গাদা গাদা চোখ বসানো আছে। আমরা দেখতে পাই শুধু সামনের দিক, কিন্তু মাছির মাথার চতুর্দিকে চক্রাকারে চোখ বসানো আছে বলে সে একই সময়ে সমস্ত পৃথিবীটা দেখতে পায়।

তাই নিয়ে গুণী ও জ্ঞানী আনাতোল ফ্রাঁস দুঃখ করে বলেছেন, ‘হায়, আমার মাথার চতু...

“The well bottom is like the bottom of the sea. Things down here stay very still, keeping their original forms, as if under tremendous pressure, unchanged from day to day.”-  Haruki Murakami, The Wind-Up Bird Chronicle 

মুরাকামির এই উপন্যাসের মতো ওরহান পামুকের দ্যা রেড-হেয়ারড ওম্যান-উপন্যাসেও কুয়োর একটা ভূমিকা আছে। মুরাকামির কুয়ো বিচ্ছিন্নতা বা আইসোলেশনের প্রতীক। এই বিচ্ছিন্নতাবোধ আবার বিচ্ছিন্নতাবাদের জন্ম দেওয়া বোধ নয়। পামুকের উপন্যাসে কুয়ো হতে পারত উন্নয়নের প্রতীক। জলের সমস্যা মেটানোর জন্...

গত ১১ই জানুয়ারী,বুধবার অসময় প্রকাশনীর এক সান্ধ্য অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত কবি রণদেব দাশগুপ্তের পঞ্চম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। প্রথমেই স্বনামধন্য কবি কৃষ্ণা বসু দিদি তাঁর বক্তব্যে স্মরণ করিয়ে দেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ঐতিহ্যময় ইতিহাসের কথা। তারপর  পরম শ্রদ্ধেয় শ্রী সৈয়দ হাসমত জালালতাঁর অতুলনীয় বক্তব্য রাখেন। উনি যেভাবে খুঁটিয়ে সাহিত্য সংক্রান্ত নানান বিষয় শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরছিলেন তা উপস্থিত সকলকেই সমৃদ্ধ করেছে।প্রথিতযশা কবি  সুজন ভট্টাচার্য ও তাঁর বক্তব্যে অনেক প্রয়োজনীয় তথ্য ও অসময় প্রকাশনীর কর্ণ...

নিজস্ব সংবাদদাতা,কোলকাতাঃ গত ১১ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায়  অবনীন্দ্র সভাগৃহে প্রখ্যাত কবি শ্রীমতী কৃষ্ণা বসুর সভাপতিত্বে এক গ্রন্থপ্রকাশ অনুষ্ঠান ও কবিসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ।এই সভায় আজকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনী সংস্থা ‘অসময় প্রকাশনী’র উদ্যোগে নবীন ও প্রবীণ কবিদের কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। গ্রন্থগুলি প্রকাশ করেন শ্রদ্ধেয়া কবি শ্রীমতী কৃষ্ণা বসু। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অসময় প্রকাশনীর কর্ণধারদ্বয় প্রখ্যাত কবি শ্রী প্রতাপ রায় ও শ্রীমতী সংযুক্তা রায়। এছাড়া আমন্ত্রিত হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি বিকা...

Please reload

সাম্প্রতিক পোস্ট
Please reload

Archive
Please reload

A N  O N L I N E  M A G A Z I N E 

Copyright © 2016-2019 Bodh. All rights reserved.

For reprint rights contact: bodhmag@gmail.com

Designed, Developed & Maintained by: Debayan Mukherjee

Contact: +91 98046 04998  |  Mail: questforcreation@gmail.com