পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি শহরের পরিচিতি ডুয়ার্সের প্রবেশপথ হিসেবে।

করোনা পরবর্তী সময়ে লকডাউনের ফলে দেশের আর সব জায়গার মত, এখানকার রাস্তাঘাটও জনশূন্য , বন্ধ দোকানপাট।   এই সময়ে সেই মানুষগুলি,পথই যাদের ঘর, খাবারের জন্য হোটেল রেস্তরাঁর উচ্ছিষ্টই যাদের বেঁচে থাকার পথ, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত তারাই। তাদের কথা ভেবে একদল উদ্যমী তরুন এগিয়ে এসেছেন। ওঁদের সংস্থার নাম ‘ফিনিক্স ফাউন্ডেশান’। স্থানীয় বাসিন্দারা কেউ না কেউ প্রতিদিন পালা করে ডাল ভাত তরকারী ডিম ইত্যাদি যত্ন করে রান্না করে তুলে দেন...

          প্রকৃতি পুরুষ মানুষকে যা সুবিধা দিয়েছে আর মেয়েদের শারীরিকভাবে হীনবল করার সঙ্গে এত রকম প্রাকৃতিক অসুবিধায় আপাদ মস্তক নিগড় পরিয়ে রেখেছে যে পুরোনো আপ্তবাক্য “বীরভোগ্যা বসুন্ধরা” প্রতিবাদযোগ্য মনে হলেও অস্বীকার করার উপায় থাকে না। এর ফলে আত্ম নিয়ন্ত্রণ বা সংযম পুরুষের অভিধানে না থাকলেও চলে যেখানে এই গুণগুলো নারীর সামাজিক, পারিবারিক এমনকি প্রাকৃতিক ভূমিকা পালনেও আবশ্যিক হয়ে পড়ে। ভূমিকায় শরীরবিদ্যা, মনস্তত্ত্ব ও সমাজ মনস্তত্ত্বের একাধিক পরীক্ষা নিরীক্ষা ভিত্তিক সিদ্ধান্ত হল পুরু হরমোন টেস্টোস...

12.11.2019

" বন্ধু "সংগঠন ও চুঁচুড়া আজকের পদক্ষেপ পত্রিকা গোষ্ঠীর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বিদ্যাসাগরকে নিয়ে সারা বাংলা কবিতা ও প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা,এদিন কলকাতার কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল হলে ছিল তার পুরস্কার বিতরণী। বিদ্যাসাগরের মহান আদর্শ ও জীবন ব্রতের পিছনে ছিল একটি আত্ম শ্রদ্ধার ও আত্ম বিশ্বাসের ভাবনা, যে ভাবনায় সেই সময় বাঙালি ছিল দীক্ষিত। তাই বিদ্যাসাগর,রবীন্দ্রনাথ বিবেকানন্দ, জগদীশচন্দ্র জন্মাতে পেরেছিলেন।আজকে বাঙালির দরকার সেই আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া।বিদ্যাসাগরকে স্মরণ করে এই কথাগুলি বলা হয় বন্ধু স...

কী ভাবছেন? মার্কিন মুলুকে পাড়ার পূজো অনুষ্ঠিত হয় না?  অন্যদের কথা জানিনে।  তবে আড্ডাবাজ বাঙালি সুদূর প্রবাসে বসেও যে আড্ডা মারতে মারতে দেশীয় কায়দায় পাড়ার আন্তরিক পরিবেশ জমিয়ে তুলতে জানেন, তার প্রমাণ মার্কিন মুলুকের ট্রাই-স্টেট দুর্গা পূজো। মানে ওহাইয়ো, ইণ্ডিয়ানা আর কেন্টাকি অঙ্গরাজ্য মিলে  সাতাশ বছর ধরে যে শারদীয় অনুষ্ঠান উদযাপন করে আসছে, তার কথা বলছি। কখনো সখনো ইলিয়ন আর জর্জিয়া রাজ্য থেকেও গুটিকয়েক পরিবার এতে যোগদান করেন। লোকসমাগম সব মিলিয়ে(ভারতীয় বাঙালি-অবাঙালি এবং সাদা-কৃষ্ণাঙ্গসহ অন্যান্য রে...

ধর্ষণ ও খুন হওয়া জয়ন্তী রাজবংশীর বিচার পেতে তার বাবাকে কেন পথে পথে ঘুরতে হচ্ছে? দলিত বলে? নির্মম ঘটনাটি তুলে ধরা হল - :

   স্বাধীনতার ৭৩ বছর পার হয়ে গেল অথচ এখনো ভারতবর্ষে ন্যায় বিচার পেতে জাতপাতের হিসেব দেখা হয়, এমন কি ধর্ষিতা নারীর ক্ষেত্রেও ন্যায় বিচার পেতে জাতপাতের অঙ্ক মেলানো হয়। কারণ, প্রশাসনিক উচ্চপদে রয়েছে তথাকথিত উচ্চবর্ণের লোক। তারা অধিকাংশই SC/ST/OBC মা-বোনের ইজ্জত, সম্মানকে বড় চোখে দেখে না --- এটাই ভারতীয় সমাজ ব্যবস্থা। দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ডে কিংবা মহারাষ্ট্রের তানিয়া কাণ্ডে সারা দেশ...

কয়েক বছর আগের কথা,  তখন আমি প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের হাউসস্টাফ। সবে সপ্তাহ খানেক জয়েন করেছি। 

   ডিপার্টমেন্টে লোক বলতে দুজন স্যার আর আমরা দুজন হাউসস্টাফ। ছোট ডিপার্টমেন্ট,  বেড সংখ্যাও খুব কম। 

   আমাদের ডিপার্টমেন্টে সাধারণত পুড়ে যাওয়া রোগীদের স্কিন গ্রাফটিং বা চামড়া প্রতিস্থাপন করা হতো। 

   বেশির ভাগ রোগীই ছিল সমাজের নিম্নবিত্ত পরিবারের অংশ।

   পুড়ে যাওয়ার কারণ ছিল নানা।

   হয়  স্বামী ছেড়ে পালিয়েছে বা শ্বশুর বাড়ির লোকজন পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছে বা বাপের ব...

তেরো

পশুজগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার শুরুতেই টিকে থাকার প্রশ্নে মানুষ তার নিজের মধ্যে প্রথম যে শত্রুকে আবিষ্কার করেছিল, তা হল ঈর্ষা। তারপর লোভ, লোভ থেকে ক্রোধ; তারপর মোহ, মদ— এই আবেগগুলির আত্মধ্বংসের শক্তি দেখে, অনুমান করা যায়, জ্ঞানী মানুষেরা এদের শত্রু হিসাবে শনাক্ত করেছিলেন ও বাইরের শত্রু থেকে পৃথক করার জন্য এদের নাম হয়েছে ‘রিপু’— মনুষ্যত্ববিরোধী ছ’ছটি রিপুশাসনে মানুষকে বাঁচতে হয়। কাম ক্রোধ লোভ মোহ মদ মাৎসর্যের বিরুদ্ধে ব্যক্তিমানুষের লড়াই, একক ও যৌথ, কমবেশি আছে। কোনও উদাহরণ না রেখে বলা যায় এই লড়া...

এগারো

   তাহলে, আত্মধ্বংস, ধর্মযুদ্ধ-কি শ্রেণীযুদ্ধ— এসবেরই প্রচলিত ‘কার্য-কারণ’কে আমাদের প্রস্তাবিত ‘মহাকারণ’-এর নিরিখে দেখতে হবে— এই প্রস্তাব কি আমরা রাখতে পারি?

   না। কারণ, আমাদের প্রস্তাবিত ‘মহাকারণ’-এর ‘কার্য-কারণ’ সম্বন্ধে কোনও স্পষ্ট ধারণা রাখা হয়নি। আমরা ‘যৌনতা’র ‘কারণ’ খানিকটা আন্দাজ করা গেছে। ‘অর্থ’কে সম্পর্কের(গৌরবার্থে ‘ঘটনা’র, প্রকৃত প্রস্তাবে তা সংস্কৃতির)চালিকা শক্তি রূপে দেখার অভ্যাসে ‘মহাকারণ’ বলেই মনে হয়, যদিও তা খণ্ড সত্য হিসাবে আমরা গ্রহণ করেছি। কিন্তু এই বিষয়-দুটিকে যতক্...

আট

‘আত্মধ্বংস’কে বিষয় করে ‘ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্র’ সম্বন্ধে কিছুটা তত্ত্বগত বিশ্লেষণ আমরা করেছি। কিন্তু ‘আত্মধ্বংস’ কী ও কেন— এই বিষয়ে কোনও কথা বলা হয়নি । অর্থাৎ ‘বিষয়টি’র সংজ্ঞা ও কার্য-কারণ সম্বন্ধে কোনও কথা না বলেই তা করা হয়েছে। অর্থাৎ পদ্ধতিগত ত্রুটি আছে। আমরা সতর্ক ছিলাম না। অন্তত আমাদের বলা উচিত ছিল যে, আত্মধ্বংসের ‘রেডিমেড’ কোনও সংজ্ঞা নেই। সবচেয়ে কাছের পরিচিত শব্দ ‘আত্মহত্যা’ বা ‘স্যুইসাইড’ কিন্তু তাতে ‘আত্মধ্বংস’-এর ব্যঞ্জনা নেই।

   তবে ‘স্যুইসাইড অ্যাটাক’ বা ‘স্যুইসাইড স্কোয়াড’-এর মধ্যে ওই...

ধর্ষণের সমাজমনস্তত্ত্ব :    

ধর্ষণ— শব্দটির ব্যুৎপত্তি অনুসরণ করে বলা যায় ধর্ষণ একটি ‘সামাজিক ব্যাধি’। মূলত ক্রোধবশত পুরুষের ‘লিবিডো’তে ‘সংক্রমণ’ ঘটে আর তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে নারীর শরীরের উপর। সামাজিক ব্যাধি বলেই রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে ধর্ষক খুব স্পষ্টভাবে শনাক্ত হয়েছে : “A man is said to commit ‘rape’ if he:- (a) penetrates his penis, to any extent, into the vagina, mouth, urethra or anus of a woman or makes her to do so with him or any other person… or(b)… or(c)… or(d) applies his mouth to t...

পরিবারের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    পরিবার ‘অভিব্যক্ত’ হওয়ার ইতিহাস সমাজপাঠের ক্ষেত্রে, তার অভিমুখ নির্ণয়ের জন্য খুবই জরুরী। এই ইতিহাস অবশ্যই পশুজগতে ‘পরিবার’-গঠনের ‘ইতিহাস’ মনে রেখে খুঁজতে হবে। পশুপরিবার গঠনের ‘ইতিহাস’ জীববিদ্যার আলোকে গঠন করা সম্ভব কিন্তু বিষয়টি জীবের উৎপত্তির নানা বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত— তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। আমরা বরং আমাদের সহবাসী কুকুরকে পর্যবেক্ষণ করতে পারি। এমনকি এবিষয়ে গবেষণালব্ধ বয়ান থেকেও যুক্তি তৈরি করা যাবে।...

‘কার্য-কারণ সম্বন্ধ’ আবিষ্কারই মানব প্রজাতিকে চিন্তাশীল জীব হিসাবে বিকশিত করে চলেছে... নানান অভিধায় সে ভূষিত— অধ্যাত্ম উপলব্ধিকারী জীব, সামাজিক জীব, রাজনৈতিক জীব, নৈতিক জীব, অর্থশিকারি-ইত্যাদি... এবং তা-ই তাকে ক্রম-ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে ‘নৈতিক জীব’ হিসাবে মানুষের ‘অবক্ষয়’ শুরু হয়ে গেছে। তাছাড়া দু’-দুজন বিজ্ঞানী, আলবার্ট আইনস্টাইন ও স্টিফেন হকিং, যে আশঙ্কা প্রকাশ করে গেছেন, তারই যেন লক্ষণ কমবেশি দেখা যাচ্ছে প্রকৃতি ও স্বকৃতির সর্বত্র। মানুষের এমন আত্মধ্বংসী আচরণ এর আগে বোধহয় দেখা...

একেকটা ঘটনা ঘটে যায়, আর তোলপাড় হয়ে যায় ভেতর বাইরে! এটিও এমন একটি ঘটনা! গর্ভবতী ছাগলকে আট জন পুরুষ মিলে হরিয়ানায় ধর্ষন আর তারজন্য মেয়ে ছাগলটির মৃত্যু! ভীষণ ঘেন্না লাগছে নিজেকে এইসব মানুষদের স্বজাতি বা স্বগোত্র ভাবতে!!!

    আমরা এবং আমিও ভাবি এটা "আজকের যুগের অবক্ষয় "! রসাতলে যাচ্ছে সময়। 

     কিন্তু পুরীর কোনারকের পাথরের গায়ে দেখেছি গরু, কুকুর, ছাগলের সাথে সঙ্গমরত পুরুষ ও মহিলা!! অবাক হয়েছিলাম খুব! কিন্তু চোখ তখন ভাস্কর্য পেরিয়ে প্রশ্ন বা ঘেন্না তৈরি করেনি!

এখন প্রায়শই শুনি মা তা...

আমেরিকার আদিবাসী এবং বাস্তুবিদ চিফ সিয়াটেল (জন্মঃ ১৭৮৬খ্রিঃ – মৃত্যুঃ ১৮৬৬খ্রিঃ) বলেছিলেন, “পৃথিবীতে প্রাণের বিবর্তনে মানুষের কোনো ভূমিকা নেই। আমরা মহাবিশ্বের একটি কণা মাত্র। প্রাণোজ্জ্বল এই পৃথিবীতে আমাদের প্রত্যেকটি কৃতকর্ম স্বার্থপরতার নামান্তর। এই জগতের সব সুর একই তারে বাঁধা। একে অপরের পরিপূরক”।

   মানুষ সামাজিক জীব, সমাজবদ্ধ হয়ে বাস করবার প্রয়োজনে নানা কর্মসূত্রকে আশ্রয় করে এক একটি সমাজ সে গড়ে তোলে নিজেরই পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য। মানব জীবন এগিয়ে চলে সমাজ - সংসার – প্রাকৃতিক পরিবেশ ও নিজস্ব বিশ...

Please reload

সাম্প্রতিক পোস্ট
Please reload

Archive
Please reload

A N  O N L I N E  M A G A Z I N E 

Copyright © 2016-2019 Bodh. All rights reserved.

For reprint rights contact: bodhmag@gmail.com

Designed, Developed & Maintained by: Debayan Mukherjee

Contact: +91 98046 04998  |  Mail: questforcreation@gmail.com