দিনশেষে অভিনয়ের মিথ্যে হাসিগুলো রাতের আঁধারে বড্ড কষ্ট দেয়। রাত গভীর হয়ে আসলেই সব কষ্টগুলো নিরবে আঘাত হানে। ধুকে ধুকে খায় আমার মতো হাজারো নিম্নমধ্যবিত্ত কে!
-ওভারব্রীজের উপর দাঁড়িয়ে আছি আমি। সন্ধার সূর্যটা বহু আগেই বাড়ি ফিরে গেছে, রাস্তার সোডিয়াম হলুদ বাতিগুলোও জ্বলে উঠেছে আলোকময় নগরীকে আরেকটু আলোকিত করে দিতে। এই সময় বাড়ি ফেরার তাড়া থাকে মানুষের,ফিরে যাওয়ার নিরব প্রতিযোগীতা যেন শুরু হয়ে যায়। ভীড় বাড়ে বাসে, এই যাত্রাবাড়ি,গুলিস্তান,মিরপুর,শ্যামলী,   ডাক হাঁকায় কন্ট্রাক্টাররা। আর যাত্রিদের ফিরে যাব...

26.10.2017

নীল কষ্টের ডায়েরিতে জমা নীল নীল সেই কালসিটে গুলো....যা আজও যন্ত্রণায় মোচড় দিয়ে ওঠে প্রতিক্ষণে,
জড়িবুটির প্রলেপেও ব্যাথার উপসম হলো না আজও.....!বৃথা চেষ্ঠা প্রতিদিন,প্রতি রাতের...!
কী করে হবে?উপসম হলেই যে তুমি চলে যাবে আমায় ছেড়ে...তাই আগলে রাখি ব্যাথার সেই সুখানুভূতি....!
নীল নীল কালসিটে ফিকে হচ্ছে ধীরে....খুব ধীরে,
ভয় হয়,যদি এই চিন্হ টুকুও মুছে যায়...যেমন বহু বছর আগে নিজে র হাতে মুছে দিয়ে গেছো ভালোবাসার সেই দিনের সমস্ত সোনালী স্মৃতি....!
নীল কষ্ট,,,নীল কালসিটের দাগ...নীল নীল স্বপ্ন,...নীল শাড়ি,.থ...

দেদার বিলিয়ে দিয়ে মনের ডেবিট কার্ড পিন নাম্বার সহ,
ভাবছো কি করে এত সুখ চুরি যায় অহরহ।
কোন মন্ত্রে চুপিসারে বুঝে ফেলে লোকে, 
জানলার কোন কাঁচে রোদ্দুর ঢোকে, 
যে স্বপ্নকে রোজ হাতড়িয়ে দেখো উঠে মাঝরাত্তিরে, 
সন্দেহ করো কেউ ডাইরির পাতা ছিঁড়ে গোপনে তা পড়ে।
চারদিক খুঁজে দেখো কোথা থেকে এসে যায় মনকথা চোর,
ভুলে গেছো, পাসওয়ার্ড বলে দিয়ে তুমিই ঢোকালে তাকে মনের ভেতর। 
রোজ রোজ বলে দাও জীবনের কোন পথে আজকে তোমার বিচরন, 
নেট জুড়ে ম্যাপ আঁকা কোন মোড়ে কতটুকু থামছে জীবন। সেসব দেখছে যারা সবাই বন্ধু তারা সেটাও কি জানো...

জীবনে অনেক কিছু দেখেছে অপু৷ নিখিলের মত ভালো বন্ধু৷ বাবুর মত স্বার্থপর ভাই৷ লোভী পুরুষ, যারা কালো মেয়েকে বৌ না করতে চাইলেও বিছানায় টানতে আপত্তি নেই৷ 
ব্যবসাসূত্রে, সুবিধাবাদী দালাল৷ কত মানুষ৷ কিন্তু আজ তার বরুন কে দেখে প্রনাম করতে ইচ্ছা হলো৷ কতদূর থেকে ছুটে এসেছে দাদার খোঁজ নিতে৷ কিন্ত অপুর তো এখনও অবাক হবার বাকি আছে৷

অপু- বসো ভাই৷ কি হয়েছে অরুন বাবুর?
বরুন- দাদা গতকাল বাড়ি থেকে চলে এসেছেন৷ ঐখানে তো বেরোতেনই না৷ এখানে আগের সব বন্ধুদের কাছে যদি আসেন তাই৷ 
অপু- আমার কথা কে বলবো তোমাকে?
বরুন- আপনার ম...

ব্যালকনির রেলিংয়ে ঠেস দিয়ে দাঁড়ালো তিস্তা।থেকে থেকেই দমকা হাওয়া এসে গায়ে  লাগছে আর সাথে গুঁড়ো বৃষ্টির ছাঁট।শরৎ আকাশের এমন ভারী মুখ বড়ই স্বভাব বিরূদ্ধ।তিস্তার মনের ভিতরটাতেও ঝোড়ো তোলপাড়।এতদিন সে তো একাই সব ঝড়ঝাপটা সামলে এসেছে,সব প্রতিকূলতার বিরূদ্ধে একাই লড়েছে কিন্তু আজ—আজ যেন সব’টা ঘাঁটাঘাঁটি হয়ে গেল।
দশ বছর আগে সৈকত এসেছিল ওর জীবনে।প্রথম প্রেম আর বন্যায় আগল ভাঙার মত ভেসে গেছিল তিস্তা।তিস্তা প্রেগনেন্ট হয়,সৈকত দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করে;ভাঙণ ধরে ওদের সম্পর্কে।তিস্তা ভালোবেসে ঠকেছিল কিন্তু নিজের শ...

নিভাননী খাটের জানলার দিকে ঘেঁষে বসে আছে। ঘরে আর কেউ নেই। বাইরের সানাই বাজছে। সন্ধ্যে ছ’টা। শীতকাল, পুরো অন্ধকার হয়ে গেছে চারদিক। বাইরে হইহুল্লোড়। আজ বউভাত অনিকেতের, নিভাননীর একমাত্র ছেলে। সবাই সুপুত্রই বলে। 
    নিভাননীর গায়ে একটা সাদা বেণারসী। বেশ দামী। ছেলে কিনে এনে দিয়েছে। নিভাননীর মুখে পান। উঠে গিয়ে জানলা দিয়ে পিক বাইরে ফেলতে যাবে, যেমন রোজ যায়, আজ জানলার কাছে এসে থমকালো। বাইরের রাস্তাটায় দারুন লাইট লাগিয়েছে তো! খেয়ালই করেনি, কি আশ্চর্য্য, এত খেয়াল কমে যাচ্ছে কেন! মাথা নীচু করে রাস্তাটা দেখল...

আমি রুমি। ক্লাস নাইনে পড়ি, সামনে দুদিন বাদে আমার পরীক্ষা। সবচেয়ে অপছন্দের সাবজেক্ট ভূগোল। মেঘের চ্যাপ্টারটা সবচেয়ে বেশি বিরক্তিকর। মেঘের নামগুলো, মেঘ সৃষ্টির স্টেপস্ বড় বিচ্ছিরি। ছাতে দোলনায় বসে বসে পড়ছিলাম আর আকাশে মেঘগুলোকে গালি দিচ্ছিলাম। 
কিন্তু একি হল? হঠাৎ দোলনাটা উপরে উঠতে উঠতে আমাকে নিয়ে গেল মেঘের দেশে। অগত্যা নামলাম মেঘের উপর। ওমনি কোথা থেকে কালোকালো কয়েকটা মানুষ এসে হাজির হল। ওদের শরীর ধোঁয়া ধোঁয়া মতো। বললো ওরা মেঘের মানুষ,এই মেঘের দেশে থাকে। ওর নাম নিম্বাস। ওর বাকি বন্ধুদের নাম কিউম...

Please reload

সাম্প্রতিক পোস্ট
Please reload

Archive
Please reload

A N  O N L I N E  M A G A Z I N E 

Copyright © 2016-2019 Bodh. All rights reserved.

For reprint rights contact: bodhmag@gmail.com

Designed, Developed & Maintained by: Debayan Mukherjee

Contact: +91 98046 04998  |  Mail: questforcreation@gmail.com