করোনা সারা পৃথিবীজুড়ে আবছায়া আবডালে থেকে সারা পৃথিবী ধ্বংস করে দিচ্ছে। এর প্রভাব প্রতিটি রাজ্য, জেলা, শহর ও গ্রামজুড়ে। 

সচেতনতা গড়ে তুলতে লকডাউনও চলছে সারা বিশ্বজুড়ে। 

আমাদের দেশ ভারতবর্ষ। যে দেশে সব ধর্মের মানুষের বসবাস  । সেই  দেশে সব শ্রেণির মানুষও বসবাস করে। এই দেশের সবচেয়ে  পিছিয়ে পড়া রাজ্য হলো পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলোর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি গরীব মানুষের বসবাস। এই জেলাতে অনগ্রসর শ্রেণির মানুষও  বসবাস করে। এই জেলা জুড়ে বেশিরভাগ গ্রাম। আর গ্রামের সাধারণ মানুষ নানান জীবীকার মধ্য দিয়ে জীবন ধারণ করে। নন্দীগ্রাম, খেজুরী, মুগবেড়িয়া, পটাশপুর, কাঁথি, মহিষাদল প্রভৃতি অঞ্চলের মানুষ কেউ টোটো, কেউ মেসিন ভ্যান, কেউ হাত রিক্সা, কেই অটো , কেউ ট্রেকার চালিয়ে উপার্জন করতেন কিন্তু হঠাৎ এই করোনার আক্রমনে লকডাউন ঘোষণার পর সব কাজ সংক্রমণের জন্য  বন্ধ হয়ে যায়। 

এই সব মানুষ এই কয়েকদিনে গভীর চিন্তায় পড়ে যায়। সংসার, ছেলে, মেয়ে, বাবা, মা কি খাবে? কতদিন লকডাউন চলবে?  আদৌ সব স্বাভাবিক হবে কিনা?  এসব নানা প্রশ্ন মানুষের মধ্যে চলে আসে। 

যদিও সরকার বিনাম...

"যখন  মৃতেরা দূরে চলে  যায় কুয়াশায় হাওয়ার ভিতরে

অস্পষ্ট মুখের চিহ্ন একদিন- দুই দিন- খেলা করে চুপে

তারপর নিভে যায়, একদিন- দুই দিন- আঙিনার ধূপে " (জীবনানন্দ দাশ)

সারাবিশ্বে যখন নোভেল কোভিড-১৯  মারণ ব্যাধি  সংক্রমণ হচ্ছে লক্ষাধিক মানুষ।   , মারা যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ   । এই মারণ ব্যাধির হাত থেকে বাঁচার জন্য সারা পৃথিবী জুড়ে লকডাউন ঘোষিত হয়েছে। ভারতও  তার ব্যাতিক্রম নয়। ভারতের সমস্ত রাজ্যগুলি  এই লকডাউনের আওতায় পড়ে যাওয়ার  ফলে মধ্যবৃত্ত সম্প্রদায়ের মানুষজন এবং  গরীব এবং দারিদ্র্য পরিবারের মানুষের পক্ষে সবচেয়ে বেশি অসুবিধা দেখা যায়। প্রতিটি রাজ্যের মতো  আমাদের রাজ্যের সমস্ত জেলাগুলোর এক করুন ছবি ধরা পড়ে। বিশেষকরে প্রতিটি জেলার গ্রামগুলোতে। গ্যেরাম বাংলায় তাঁদেরকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। না পারছে কাজে যেতে, না পারছে বাইরে যেতে, না পারছে পেট চালাতে। এই ভয়ংকর পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বর্তমান গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষ করোনা থেকে নিস্কৃতি পেতে চায়। 

তেমনই পশ্চিমবাংলার জেলাগুলোর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা অন্যতম। এই জেলার বেশির ভাগ গ্রামের সাধারণ মান...

"আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি"? এই গান শুনে লোম খাড়া হয়ে উঠে না এমন মানুষ আছে কি? ভাষা দিবস আর এই গান যেন সমার্থক হয়ে উঠেছে,অমর একুশ আমাদের অহংকার, আমাদের মা কে মায়ের ভাষায় ডাকার অঙ্গীকার।

তবু ও কিছু প্রশ্ন থেকেই যায় হুজুগে বাঙালি বলে একটা কথা বহুল প্রচলিত, আর বাঙালি মাত্রেই আত্মঘাতী সেটাই বা অস্বীকার করি কি ভাবে?

১৩৫৮ সালের ৮ই ফাল্গুন বললে অনেকের ভুরু কুঁচকে উঠবে অনেকেই ভাববেন এটা কি গুগলি রাউন্ডের প্রশ্ন?না তা নয় 1952 সালের 21শে ফেব্রুয়ারির এটাই বাংলার সন ও তারিখ,

এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে বাংলা ভাষা নিয়ে যে তরুণরা প্রাণ দিলেন সেটা ইংরেজি সাল ও তারিখে চিহ্নিত হয়ে গেল কেন?আমার মনে হয় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবার জন্য এটা প্রয়োজন ছিল।

কিন্ত গলদ তো গোড়াতেই আমরা বাঙালিরা কি মনে রেখেছি ৮ই ফাল্গুন দিন টিকে,কেউ তো রচনা করেন নি -

আমার ভায়ের রক্তে ভেজা আটোই ফাল্গুন, ভিজে গেছে পথ, নেভেনি তবু হৃদয়ে আগুন।

আমরা বাঙালিরা এমনই নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন অন্য প্রদেশে গিয়ে দেখেছেন তারা কখনোই ভাঙ্গা বাংলায় আমাদের সাথে কথা বলে না,কিন্তু আমরা পারি আর না পারি আমাদের বাংলায় তাদের সাথে উদ্ভট...

এক অদ্ভুত রাজনৈতিক নাটক অনুষ্ঠিত হলো  কলকাতায়। "সাংবিধানিক দায়িত্ব" পালন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগতম জানাতে আকাশবাণীর সামনে রাস্তার মোড়ে চালানো হলো সেই স্বাধীনতার গান, "  মরা গাঙে বাঁধ ভেঙে আয় না ছুটে জয় মা বলে" আর তার ঠিক কোনাকুনি ময়দান পেরিয়ে মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিবাদী সভা থেকে হুংকার উঠছে, মোদি সরকার নিপাত যাক, এন আর সি মানছি না।ক্যা মানছি না।"হাজার হাজার মানুষকে এদিন নাকের জলে চোখের জলে করে ধর্মতলা থেকে প্রিন্সপ ঘাট পর্যন্ত চলাচল বন্ধ করে মোদীর সুচারু চলাচলের অত্যন্ত সুন্দর ব্যবস্থা করল কলকাতা পুলিশ, কিন্তু সার্কাসে  সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও এই সংবিধানের  আদর্শ রক্ষায় রাতভর প্রতিবাদে সামিল ছাত্রদের সভায় একটা প্লাস্টিকের ছাউনি র অনুমোদন দিল না তারা। এরই মধ্যে বাম বুদ্ধিজীবীদের ডাকে একটা মিছিল ছিল , সেটা হলো কলেজ স্কোয়ার থেকে , কিন্তু নরেন্দ্র মোদিকে এয়ারপোর্টে অবরুদ্ধ করে রাখার ডাকে কাউকেই খুঁজে পাওয়া গেলো না।এই হলো বাম, ডান, দিদি ও দাদাকে নিয়ে দিনভর রাজনীতির নৌটঙ্কি ,, যার শিকার হলো শহরের পথচলতি হাজার হাজার মানুষ।

এদিন মোদীর নিরাপত্তার...

29.11.2019

The West Bengal Legislative Assembly on Friday passed a resolution opposing the National Register of Citizens ( NRC) in Assam. The resolution also categorically ruled out the possibility of any such exercise in the State.

The resolution  was supported by members of the Trinamool Congress from the Treasury beaches and legislators of the Left parties and the Congress from the Opposition benches. Only a handful of BJP members opposed the resolution

“We do not accept the NRC. What has happened in Assam can never happen in Bengal,” Chief Minister Mamata Banerjee said during the debate. She thanked Bihar Chief Minister Nitish Kumar for opposing a NRC-like exercise in his State.

Ms. Banerjee said the NRC was carried out on the basis of the Assam Accord of 1985 and there was no such agreement in the case of Bengal. “They are making a grand jail where they can keep the detainees from the list.” Issues like this were propped up to divert people’s attention from the economic distress faced by the co...

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সত্যিই খুব উদ্বেগজনক। লোকসভা নির্বাচনের পর বিজেপির আশাতীত ফল tmc কে যতখানি কোণঠাসা করেছে, তার চাইতে বেশি বিড়ম্বনা বেড়েছে রাজ্যবাসীর। খোলামনে ভোট দেওয়ার ও কি উপায় নেই ? এ কেমন গণতন্ত্রে বাস করছি আমরা?

   প্রশ্নটা উঠেছিল পঞ্চায়েত নির্বাচনের রক্তক্ষয় আর এক তরফা নির্বাচনের প্রহসনের পর। ভোটে  দাঁড়াতেই দেবে না শাসক দল, মনোনয়ন জমাই করতে দেবে না, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবে শাসক দলের প্রার্থী।পঞ্চায়েতের নির্বাচনের এই ব্যাপক হিংসা প্রমাণ করেছিল এ রাজ্যের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনেকখানি বদলে গেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা হয়। দলীয় স্তরে নানা রকম রাজনৈতিক আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ চলে। কিন্তু রাজনীতিতে এই হিংসার ছক সর্বস্তরে চালু হয় না। লোকসভা ভোটের পর দেখা যাচ্ছে , হিংসা প্রতিহিংসা  রাজনীতির অঙ্গিনাকে রক্তাক্ত করে চলেছে। ভোট পরবর্তী হিংসা যেভাবে বাড়ছে তাতে রাজ্য প্রশাসন যে এর লাগাম ধরতে চায় না, সেটাই স্পষ্ট। এরপর যেটা হচ্ছে সেটা আরো ভয়ঙ্কর।নির্বাচিত একটি পুর বোর্ড ভেঙে দল বদলের হিড়িক এবং তাকে ঠেকাতে নানা কৌশল দেখার পর মনে হচ্ছে, দেশটাকে কি রাজনীতির...

ধর্ষণ ও খুন হওয়া জয়ন্তী রাজবংশীর বিচার পেতে তার বাবাকে কেন পথে পথে ঘুরতে হচ্ছে? দলিত বলে? নির্মম ঘটনাটি তুলে ধরা হল - :

   স্বাধীনতার ৭৩ বছর পার হয়ে গেল অথচ এখনো ভারতবর্ষে ন্যায় বিচার পেতে জাতপাতের হিসেব দেখা হয়, এমন কি ধর্ষিতা নারীর ক্ষেত্রেও ন্যায় বিচার পেতে জাতপাতের অঙ্ক মেলানো হয়। কারণ, প্রশাসনিক উচ্চপদে রয়েছে তথাকথিত উচ্চবর্ণের লোক। তারা অধিকাংশই SC/ST/OBC মা-বোনের ইজ্জত, সম্মানকে বড় চোখে দেখে না --- এটাই ভারতীয় সমাজ ব্যবস্থা। দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ডে কিংবা মহারাষ্ট্রের তানিয়া কাণ্ডে সারা দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে, বুদ্ধিজীবীরা রাস্তায় নামে, মোমবাতি জ্বালানো হয়, পত্র-পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, লেখক-লেখিকারা পাতার পর পাতা কাগজ খরচ করে --- কারন নির্ভয়া ও তানিয়া তথাকথিত উচ্চবর্ণের (ব্রাহ্মণ) মেয়ে। ফলে তাদের প্রতি সহানুভূতি ঝরে পড়ে ভদ্র সমাজের। অথচ প্রতি বছর শত শত দলিত মূলনিবাসী, বহুজন ( sc/st/obc) সমাজের নারীরা খুন-ধর্ষিতা হয়ে চলেছেন, কালে ভদ্রে দু-একজনের মৃদু প্রতিবাদ হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সমাজ থাকে নীরব, ন্যূনতম বিচারটুকু তারা পায় না, প্রশাসন যে কত নির্মম ও নির্লজ্জ হতে পারে সেটা শুধু ধর্ষ...

26.01.2019

নিজস্ব প্রতিনিধি : নেতাজির মৃত্যু নিয়ে শুধু সরকার নয়, তাঁর পরিবারের লোকেরা অনেকেই মিডিয়াতে যা বলেন তার কোনো প্রমাণ তাঁরা দেখাতে পারেন না।একথা বলেন নেতাজির উত্তরসূরী চন্দ্র কুমার বসু। গতকাল রামমোহন হলে বোধিসত্ত্ব সম্মাননা ভাষণ দিতে এসে তিনি নেতাজির মৃত্যু না হত্যা নামে একটি বইএর প্রসঙ্গে এই কথাগুলি বলেন।বইটির লেখক পৃথ্বীরাজ সেন, প্রকাশক বোধিসত্ত্ব কর্ণধার লেখক সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে পাশে রেখে বলেন, এই ধরনের বই আরো প্রকাশ হওয়া দরকার, কারণ এই মহান দেশপ্রেমিকের অন্তিম জীবন নিয়ে এরকম বিতর্কের একটি সুষ্ঠু মীমাংসা হওয়া দরকার।মঞ্চে উদ্বোধনী ভাষণে রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী ডা.নির্মল মাঝি নেতাজির ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন।আগামীদিনের দেশ ও প্রজন্মকে নেতাজির আদর্শে পরিচালিত করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত। 

ছাত্রদের দাবী অনায্য নয় মেনে নিয়েও যদি বলি ছাত্ররা চরম বিশৃঙ্খলা করেছিল। তাহলেও কোনও বিশৃঙ্খলতাই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোকে যাস্টিফাই করেনা। এই নৃশংসতার সাক্ষী আমাদের রাজ্যই। শুধু আজকে নয়। অতীত ফিরে ফিরে আসে। কংগ্রেস-নকশাল আমল ছেড়েই দিলাম। বাম আমলেও ঘটেছে এ ঘটনা। আজও ঘটল।

   রাজনীতির রঙ ঘটনার ওপর চড়তে শুরু করেছে। এই প্রসঙ্গে নিজের লেখা একটা গল্পই মনে পড়ল। বর্তমান সংবাদপত্রের রোববারের পাতায় প্রকাশিত, ‘একটা মৃত্যু ও কয়েকটা পতাকা।’ মেদিনীপুরের সবং-এ একটি কলেজে ছাত্র হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনীতিকরণ। পশ্চিমবঙ্গের চিত্রটাও এখন একইরকম। সবই রাজনৈতিক দল বনধ ডাকছে। একে অপরকে দোষারোপ করে চলেছে। স্লোগান, মিছিল, মিটিং-এ উত্তপ্ত বাংলার আকাশ। রাজনৈতিক নেতারা ও মিডিয়া একটা লাশ পেয়ে গেছেন। তপ্ত টাটকা একাদশ শ্রেণীর একটা কিশোরের লাশ। রাজনীতির রঙ পড়বে তার ওপর। ধর্মের চিহ্নও ব্যবহার হবে। কারণ ঘটনাস্থলের নাম ইসলামপুর আর মৃত ছেলেটিও হিন্দু। কিন্তু আমি একজন মা। তাই মায়ের কথাটাই মনে হচ্ছে শুধু। মা তো তার সন্তান হারাল। বোন হারাল দাদা। বন্ধুরা, সহপাঠীরা সবাই হারাল তাদের প্রিয়জনকে। কোন রাজনীতি, কোন ধর্মীয় ভাব...

16.09.2018

খুউব শিগগিরই আবার উন্নয়নের বলি হতে চলেছে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের ঠুড়গা (তুর্গা) নদী সংলগ্ন বিশাল জঙ্গল এলাকা - লক্ষ লক্ষ গাছ । ১২ টি হাতির একটি দল, যার ৪টিই শিশু এছাড়াও পাঙ্গোলিন, লেপার্ড, ট্রিশ্রিউ, হায়নার মতন জীববৈচিত্র, আদিবাসীদের মারাংবুড়ু পাহাড় । পুরুলিয়ার তুর্গায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য পাম্পড্যাম করা হবে । তাই প্রকৃতি বাঁচাতে এগিয়ে আসতে হবে পুরুলিয়ার আশেপাশের মানুষগুলোকেই । তাদেরকেই রুখে দাঁড়াতে হবে আর আমাদের হতে হবে সচেতন যাতে এই ঘটনা সকলে জানতে পেরে বিরূদ্ধে সরব হতে পারেন - সঠিক আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন

   আসুন পড়ে নিই অযোধ্যা পাহাড়স্থিত বনগ্রামের মানুষেরা কি বলছেন...

To
The District Magistrate
Purulia District
Purulia Head Office
West Bengal

মহাশয়,

   আমরা জানতে পেরেছি যে, আমরা যে এলাকায় বাস করি তার কাছে ঠুড়্গা পাম্পড স্টোরেজ পাওয়ার প্রজেক্টের কাজ শুরু হয়েছে। আমরা জানতে পারছি যে, পরিবেশ আইনের ব্যাপারে গণশুনানি হয়ে গেছে এবং এই ধরণের প্রজেক্টে ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য গ্রামের মানুষের যে ধরণের সম্মতির প্রয়োজন সেগুলো নাকি নেওয়া হয়ে গেছে। কিন্তু আসলে সরকারীভাবে এই প্রজেক্টের ব্যাপা...

Please reload

রাজ্য :
প্রস্তাবিত তালিকা
Please reload

সাম্প্রতিক পোস্ট
Please reload

A N  O N L I N E  M A G A Z I N E 

Copyright © 2016-2019 Bodh. All rights reserved.

For reprint rights contact: bodhmag@gmail.com

Designed, Developed & Maintained by: Debayan Mukherjee

Contact: +91 98046 04998  |  Mail: questforcreation@gmail.com