প্রশাসন সতর্ক হোক: ছড়ানো হচ্ছে বিষ-বার্তা

03.06.2018

প্রশাসনের কাছে সনির্বন্ধ অনুরোধ এবং কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইমের কাছে আমাদের আবেদন, জনমন  বিষিয়ে তুলতে একদল স্বার্থান্বেষী এই ধরনের পোস্ট সাধারণ নিরীহ মানুষের মোবাইলে ও সোসাল নেটওয়ার্কিং গ্রুপগুলিতে ছড়াচ্ছে। কিছুটা বুঝে কিছুটা না বুঝে সাধারণ মানুষ এই ধরনের পোস্ট পড়ে বিচলিত হয়ে পড়ছে, বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে সমাজে। পশ্চিম বাঙলার সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বারাবরণ নষ্ট করে রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার চেষ্টা করছে। এই সমস্ত পোস্টের ফলে দিনের পর দিন মানুষ দ্বিধাগ্রস্ত ও সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সময় খুব কম। মানুষের সুস্থ জীবন ও সামাজিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সরকার অবিলম্বে ব্যবস্থা নিক। পোস্টটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হল:

 

মমিনপুর-খিদিরপুর-মেটিয়াব্রুজ; পার্কসার্কাস-মৌলালি; শিয়ালদা-রাজাবাজার; বন্দেলগেট-কুষ্ঠিয়া। 

------------------------------------------

কলকাতা শহরের মধ্যে আলাদা ছোট ছোট ইসলামিক শহর। 

ফিরহাদ হেকিম যেগুলোকে গর্ব করে বলেছিল 'মিনি পাকিস্তান'! -;;;;;;;;;;)));;;;;;;;;;;;;;))));;;);;;;;;;;;;;;;;

গায়ে গায়ে ৫/৬ তলা বেআইনি বাড়ি।ফাঁকে ফাঁকে ছোটবড় মসজিদ।মসজিদের সামনে গরু জবাই করার জন্য কর্পোরেশন থেকে সুন্দর করে বাঁধিয়ে দেওয়া বড় বড় সিমেন্টের চাতাল। সরু সরু গলি, লাখ লাখ লোক !

বেশিরভাগই অশিক্ষিত, অমার্জিত, মারমুখী UP, বিহারি মুসলিমের দল।২৪ ঘণ্টা মাথায় টুপি, গায়ে বোঁটকা গন্ধ।মহিলারা সারাদিন বোরখা পরা। এক একটি পরিবারে অন্তত ১০/১২ জন সদস্য  !

অন্ধকার, স্যাঁতস্যাঁতে, পুতিগন্ধময়।ঘরের ভিতর সারাদিন লাইট জ্বলছে।হুকিং করে কারেন্ট, ২৪ ঘণ্টা কলে পুরসভার মোটা জল।এসব এলাকায় কোনোদিন লোডশেডিং হয় না।

প্রায় প্রতিটি বিল্ডিঙের ভিতর একটা করে ছোট কারখানা - প্লাস্টিক, জামাকাপড়, নামি কোম্পানিদের নকল দ্রব্য, ইত্যাদি।প্রতিটি গলির মুখে ২/৩টে গরুর মাংসর দোকান- মাছি বসা, বাসি, হলদে হয়ে যাওয়া গরুর শরীরের ছোটবড় কাটা টুকরো ঝুলছে। প্রতিটি গলির ভিতরে ২/৩টে পরোটা ও কসা গরুর মাংসর দোকান - পেঁয়াজ, রসুন, পোড়া তেল, গরমশলা ও নর্দমার গন্ধ মিশে এক অবর্ণনীয় পরিবেশ।মাঝে মাঝে একটা ছোট ক্লাব, ওদের ভাষায় 'দহলিজ' বা 'দলিজ' !

 

প্রতি পাড়ায় একটা করে প্রাথমিক ইসলামিক স্কুল - বাচ্চারা টুপি মাথায় দিয়ে বা হিজাব পরে দুলে দুলে কোরান-হাদিস পড়ছে।এলাকাগুলোতে ভোর ৪টে থেকে রাত ১টা অবধি হইচই, চেঁচামেচি, গালাগালি, মাছের বাজার লেগে থাকে।মাঝে মাঝেই এর ওর বাচ্চা হারিয়ে যায়, তখন মসজিদ থেকে মাইকে ঘোষণা করা হয়, লোকে খুঁজে দেয় !

 

 সারাদিন শয়ে শয়ে লোক ঢুকছে বেরোচ্ছে। কে আসছে, কে যাচ্ছে, কে কোথায় থাকে, কে কি করে, কেউ খবর রাখে না, এমনকি সরকারও নয়। 

 

 দেশিবিদেশি উগ্রপন্থীদের নিরাপদে লুকিয়ে লুকিয়ে নাশকতামূলক কাজকর্ম করার আদর্শ পরিবেশ। 

মুসলমান ছাড়া অন্য ধর্মের লোকদের এসব এলাকার ভিতরে প্রবেশ নিষেধ।এমনকি পুলিসও ঢোকে না। 

Total No-Go-Zone!

 

শিক্ষিত, কালচারড, রঙিন পাঞ্জাবি পরা ও মিহি গলায় পণ্ডিতি ফলানো ছক্কা বাঙালি, এসব এলাকায় গেছো কখনো? খুঁটিয়ে দেখেছো এখানকার জীবনযাত্রা? আমি দেখেছি, এবং দেখে শিউরে উঠেছি!

প্রতিটি বাড়িতে মোটা মোটা বাঁশের ও লোহার রড, ছুরি, রাম দা।প্রতিটি এলাকায় লুকনো প্রচুর বেআইনি রিভলভার, পিস্তল, তরোয়াল।এছাড়া হাতে বানানো পেটো থেকে শক্তিশালী গ্রেনেড - সব আছে।সরকারের কাছে সব খবর আছে, কিন্তু সরকার জেনে না জানার ভাণ করে থাকে । ভোটব্যাঙ্ক ! 

 

একদিন এই প্রত্যেকটা 'মিনি পাকিস্তান' থেকে লাখ লাখ জিহাদি শয়ে শয়ে অস্ত্র হাতে বেরিয়ে এসে ঝাপিয়ে পড়বে কলকাতার বুকে - দুর্বল-ভীতু-স্বার্থপর-সবজান্তা-উদার-সেকুলার বাঙালির উপর। শুরু হবে আরেক  !

GREAT CALCUTTA KILLINGS! 

---------------------------------------

 সেদিন বেশি দূরে নেই।

সেদিন কিন্তু কোনো মমতা, সূর্যকান্ত বা মোদীর দাদুও বাঙালিকে বাঁচাতে পারবে না।

Share on Facebook
Share on Twitter
Please reload

জনপ্রিয় পোস্ট

I'm busy working on my blog posts. Watch this space!

Please reload

সাম্প্রতিক পোস্ট
Please reload

A N  O N L I N E  M A G A Z I N E 

Copyright © 2016-2019 Bodh. All rights reserved.

For reprint rights contact: bodhmag@gmail.com

Designed, Developed & Maintained by: Debayan Mukherjee

Contact: +91 98046 04998  |  Mail: questforcreation@gmail.com