আমরা জানি না কোথায় যাব, এরপর কী : তপোধীর

 

 

কলকাতার রাজপথে আছড়ে পড়লো আসামের কান্না ,প্রতিবাদ, প্রতিরোধের বজ্রনির্ঘোষ।  নাগরিক বাছাইয়ের নামে বাঙালি তাড়ানোর চক্রান্তের বিরুদ্ধে এদিন সারা ভারত অসম সংহতি মঞ্চের ডাকে সমাজ ও সংস্কৃতির নানা ক্ষেত্রের বহু মানুষ পথে নামলেন।মিছিল শেষে ধর্মতলার ওয়াই রোডে সমাবেশ থেকে উঠলো হুঙ্কার: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে যারা রাজনীতির অস্ত্র করছে,বাঙালি তাড়ানোর চক্রান্তে যারা লিপ্ত তাদের বাঙালি ছেড়ে দেবে না।মিছিলে হাঁটেন অসম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য বিশিষ্ট গবেষক সাহিত্যিক তপোধীর ভট্টাচার্য।

 

   মিছিল শুরুর আগে এদিন বউবাজারে বৌদ্ধ ধর্মাঙ্কুর হলে একটি সভায় তপোধীরবাবু বলেন,বাঙালিকে সারা দেশেই কোণঠাসা করার চক্রান্ত চলছে।অসমে যেটা চলছে সেটা এক ধরণের জাতি বিদ্বেষী অগ্রসন। অনুপ্রবেশকারী বলে ইচ্ছে করে অসম থেকে দেশের বাঙালি নাগরিকদের বিতাড়িত করতে জাতীয় নাগরিক পন্জিকরণ করা হচ্ছে।প্রকৃত পক্ষে কাজটা এমনভাবে করা হচ্ছে যাতে বৈধ নাগরিকরাও নিজের দেশে পরবাসী হয়ে পড়ছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মান্য করার নামে দেশের নাগরিকদের সঙ্গে আইনি প্রহসন চলছে। সভার শেষে একান্ত আলাপের সুযোগে তাঁকে ওনলাইন বোধের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, অসম নিয়ে এই বাঙালি বিতরণের বিরুদ্ধে আপনি যা যা করলেন, বাকি সকলে যা যা করলো, সেটার পর এখন আর কি ?এরপর?

খুব হতাশ হয়েই তপোধীরবাবু বললেন, জানি না। আমরা  সত্যিই জানি না, এরপর কী করব? আরো একবার সুপ্রিম কোর্টের কাছে তাদের নির্দেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা যায় না? এই প্রশ্নে স্পষ্টতই অসহায় দেখালো , তিনি বললেন, সুপ্রিম কোর্টে আইনি লড়াইয়ের মত আমাদের টাকা নেই।আমাদের কথা কে সেখানে বলবে?

 

  এদিনের সভায় সুজন চক্রবর্তী প্রশ্ন তোলেন, আজ যাদের অবৈধ ভোটার বলা হচ্ছে, তাদের ভোটে তাহলে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকে কি করে? যেভাবে বলা হচ্ছে ১৯৭১ এর আগে যাদের নথি নেই , তারা ভারতীয় নয়, তাহলে ত বলতে হবে, সুজন চক্রবর্তীর ও নেই,এইভাবে বিচার করতে হলে দেখা যাবে এই বাংলা, আসাম, ত্রিপুরার  বিধান সভা ফাঁকা হয়ে যাবে।এদিনের সভার আরেক বক্তা সুবোধ চক্রবর্তী বলেন, খোদ ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর নাম বাদ যাবে, তাহলে তাঁর নাম নাগরিক তালিকা থেকে কাটুক কেন্দ্র। বাঙালির বিরুদ্ধে একটা জঘন্য রাজনীতি হচ্ছে।আসামের পাশে থাকবে বাংলা।এই নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন হবে।

 

 

 

Share on Facebook
Share on Twitter
Please reload

জনপ্রিয় পোস্ট

I'm busy working on my blog posts. Watch this space!

Please reload

সাম্প্রতিক পোস্ট
Please reload

A N  O N L I N E  M A G A Z I N E 

Copyright © 2016-2019 Bodh. All rights reserved.

For reprint rights contact: bodhmag@gmail.com

Designed, Developed & Maintained by: Debayan Mukherjee

Contact: +91 98046 04998  |  Mail: questforcreation@gmail.com