মাকড়সা

 

ইরিনা ওলগা, রোমানিয়ার মেয়ে। তারুণ্য পেরিয়েছে আগেই। জীবনের যাত্রাপথে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে নানান ঘটনার স্রোতে ভেসে। তাতে আবেগের চেয়ে বুদ্ধির ধার বেশি। কারণ, তার মন দেহসর্বস্ব মানুষের প্রয়োজনের বাইরে যেতে রাজি নয়। আটপৌরে জীবনের উদ্বেলিত ক্ষিধে মেটানোই তার কাছে বেঁচে থাকার মূল মন্ত্র। পাঁচ ইন্দ্রিয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে যার অস্তিত্ব অনুভব করার দরকার হয়, তার কথা নিরর্থক ভেবে সময় নষ্ট করার আকুলতা ইরিনার স্বভাবে নেই। আজও সে নতুন ঘটনার স্রোতে ভেসে পার্থিব প্রয়োজনের কথাই ভাবছিল। ভাবছিল, তার নতুন শিকার রবার্ট উইলসনের কথা। সফটওয়ার ডেভেলপার হিসেবে যার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। যার সঙ্গে কথা বলতে প্রথম পরিচয়েই মনে হয়েছিল - মানুষটা প্রথম দর্শনেই তাকে পছন্দ করতে শুরু করেছে! তার চোখ তাকে খুঁজছে! তার হৃদয় উদ্বেল হচ্ছে তার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলার জন্য!

 

ইরিনা মুখের ওপর মায়াবী হাসি গড়িয়ে বলেছিল - তোমার স্বপ্ন সফল হোক বব! আমারও ইচ্ছে ছিল একজন সফল সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার! যাই হোক জেনে বড় ভালো লাগছে, অন্তত তোমার জীবনে সেই স্বপ্ন সফলতা পাচ্ছে! রবার্ট বিগলিত হয়ে প্রফুল্ল হেসেছিল - ওঃ! তাই বুঝি? অনেক ধন্যবাদ! আমারও ভালো লাগছে জেনে, একজন অন্তত আমার পছন্দের তারিফ করছে খোলাখুলিভাবে!

 

উত্তরে চতুর প্রেমিকা হয়ে আগ্রহভরে এগিয়েছিল ইরিনা - নিশ্চয়ই! শুধু আমি কেন, অনেকেই করবে! সফল জীবন কে না চায়! তবে এ বিষয়টা নিয়ে আমার মনে এখনো বহু প্রশ্নের ভিড় জমে আছে! আচ্ছা, কখনো যদি উত্তর জানার ইচ্ছে হয়, যোগাযোগ করতে পারি তো?

 

হ্যাঁ নিশ্চয়ই! প্লিজ দ্বিধা করো না!

 

তাহলে ….!

 

তাহলে আমার হোয়াটসঅ্যাপের নাম্বারটা নাও!

 

কখন কথা বললে সুবিধে হবে?

 

অসুবিধে নেই, তোমার সুবিধেমতোই করো। আমি ব্যস্ত থাকলে জানতে পারবে।

 

ইরিনার কথায় তার বর্তমান প্রেমিক অঙ্কের শিক্ষক জেমস হিলসের, ভারি অবাক লেগেছিল। তিন বছরের গভীর পরিচয়ে তার ধারণা ছিল, ইরিনার জীবনের আপাদমস্তক জানা হয়ে গেছে তার। সে জীবন সূর্যস্নাত আকাশের মতোই পুরোপুরি দৃশ্যমান। ঘরে ফেরার আগে গাড়িতে তাই প্রিয় বান্ধবীকে জিজ্ঞেস করেছিল - তুমি কি সত্যি সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হতে চেয়েছিলে ইরিনা? কই, কখনো জানাওনি তো!

 

তোমাকে জানানোর কী আছে জেমস! যা হতে পারিনি, তার কথা বলে লাভ কী?

 

কিন্তু আজ তো বললে! তাছাড়া এর আগে অনেক কথাই বলেছিলে নিজের সম্পর্কে! তাই বলছি!

 

না জেমস! অনেক কিছুই বলিনি! প্রয়োজন নেই বলেই বলিনি! এটুকু বলেই ইরিনা সহসা গম্ভীর হয়ে গিয়েছিল। উষ্মা ঝরেছিল গলার স্বরে।

 

ভালো মানুষ জেমস এরপরে আলোচনা বাড়িয়ে বান্ধবীকে বিরক্ত করতে চায়নি। কিন্তু তিন বছর আগেকার একটি ঘটনা সঙ্গে সঙ্গেই মনে পড়েছিল। রোমানিয়ান কন্যা তখন মার্ক ফ্রান্সিসের প্রেমিকা। সেবার বন্ধুর বাড়িতে নববর্ষ উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে ফ্রান্সিসের সঙ্গে পরিচয়। মার্কের বন্ধুসুলভ আচরণ তাকে আকর্ষণ করেছিল। ছেলেটি পেশায় এ্যাকাউন্ট্যান্ট। নিষ্পাপ দেবশিশুর মতো সুন্দর। তার পাশে দাঁড়িয়ে এক রমনী বুভুক্ষুর মতো তাকে দেখছে, একটু পরেই তার নজরে পড়েছিল। চোখে চোখ পড়তে অপ্রতিভ হয়েও হেসেছিল জেমস। সে সুযোগ উপেক্ষা করেনি ইরিনা। ভদ্রতা রক্ষায় দ্রুত হাত বাড়িয়ে পরিচয় দিতে গিয়ে বলেছিল - ইরিনা ওলগা! ফ্রান্সিসের গার্লফ্রেণ্ড, বলেই চোখের গভীরে বুদ্বুদ তুলেছিল। নীলচে দৃষ্টির মোহন ফাঁদে আটকে দিয়েছিল সদ্য পরিচিত মিস্টার হিলসকে। জেমস অন্তরে দুলে উঠেছিল একবার। রমনীকে নির্লজ্জ মনে হলেও আকৃষ্ট হতে মন্দ লাগেনি।

 

জেমস তার দশ নম্বর শিকার। জেমসের আগে আরও ন’জন মানুষকে ফাঁদে ফেলে হৃদয় খুবলে সে রক্তাক্ত করেছে। এ সংবাদ অবশ্য গণিত শিক্ষকের জানা ছিল না। তবে জানা থাকলেও নিজেকে আটকাতে পারতো না জেমস। অন্তরের অন্ধ আবেগ সেদিন তাকে সজাগ হতে দেয়নি। তাই চতুর নারী যখন প্রথম পরিচয়েই প্রেমের ফাঁদে তাকে আটকে দিতে এলো, সন্দিগ্ধ হতে চায়নি সে। দেবশিশুকে ছেড়ে কদিনের মধ্যে জেমসের হয়ে গিয়েছিল ইরিনা। এরপর সে প্রতি কথায় গণিত শিক্ষকের উচ্চ প্রশংসা করতে গিয়ে ফ্রান্সিসকে ছেড়ে আসার কারণ ব্যাখ্যা করেছিল বারবার। মার্কের মতো নির্বোধের পাল্লায় পড়ে জীবন কিভাবে বরবাদ হয়ে গেছে, সে সম্পর্কেও ইনিয়ে বিনিয়ে কথা বলেছিল বিস্তৃতভাবে। তারপর বিজয়িনীর গৌরবে হিংস্রভাবে হেসে একদিন মন্তব্য করেছিল - দেখলে তো জেমস, মার্কের মতো স্টুপিডের সঙ্গে জীবন কাটানো যায়? জানে তোমার সঙ্গে আছি, তারপরও ফোন করে জ্বালিয়ে মারছে রোজ! জেমস ঈর্ষান্বিত হয়নি। সহজভাবে বলেছিল - মার্ক তোমাকে এখনো ভালোবাসে ইরিনা! সেজন্যই ভুলতে পারছে না! প্রেমিকের এমন নিস্পৃহ মন্তব্যে আহত হয়েছিল ওলগা। জেমস তাকে সত্যিই ভালোবাসে তো? তাহলে ঈর্ষার উত্তাপ কেন নেই তার মন্তব্যে? কেন অকপটে উচ্চারণ করছে, মার্ক তাকে এখনো ভালোবাসে বলেই রোজ ফোন করা অস্বাভাবিক নয়? উত্তরে সে উষ্ণ হয়েছিল - কিন্তু আমারও ধৈর্যের সীমা আছে! ওর সব ধরনের বোকামি এতকাল ভালোবেসে সহ্য করেছি! কিন্তু আর কত? ওর তুলনায় তুমি অনেক কম্পিটেন্ট আর টেলেন্টেড মানুষ বলেই মার্কের বোকামি কতটা বিরক্তিকর, কল্পনা করতে পারছো না জেমস!

কেন পারবো না ইরিনা! কিন্তু হৃদয়ের ভালোবাসা যে অন্ধ হয়! হৃদয় তাই অনেক সময় বুদ্ধির ধার ধারতে চায় না!

 

ইরিনা আরও বেশি অসহিষ্ণু হয়ে জবাব দিয়েছিল - শুধু ভালোবাসায় কী হয় জেমস? যদি তাতে মগজের সংস্রব না থাকে?

 

জেমস মাথা নাড়তে নাড়তে গম্ভীরভাবে শুধু বলেছিল - কিন্তু কেবল মগজ দিয়েই কি জীবনের সব লেনদেন হয় ইরিনা?

 

আজ রোববার। হেমন্তের আকাশ সকাল থেকে মেঘহীন। সূর্যের আশির্বাদ অফুরান আলোকশিখায় ঝরে পড়ছে চারপাশে। গাছের পাতার, সবুজ ঘাসের শিশিরবিন্দু শুকিয়ে গেছে অনেকক্ষণ। ইরিনা কফি নিয়ে বারান্দায় এসে বসলো। ঘুমোতে সে বরাবর ভালোবাসে। আর ছুটির দিন হলে তো কথাই নেই। নিজের স্বেচ্ছাবিহারি জীবনে আপাতত সম্পূর্ণ স্বাধীন সে। অফিস কনফারেন্সে যাওয়ার কথা বলে মাসখানিক হলো গণিত শিক্ষক জেমসকে সে ছেড়ে এসেছে চিরকালের মতো। একদিনও আর যোগাযোগ রাখেনি। যতবার ফোন করেছে, টেক্সট ম্যাসেজ পাঠিয়ে সংবাদ জানতে চেয়েছে, প্রেমিকের নাগালের বাইরে নিজেকে সরিয়ে দিয়েছে ততবার। অবশেষে পরশু রাতে তার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইরিনা - আমার সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করে বিরক্ত করো না জেমস! আমাদের সম্পর্ক এমন কখনো ছিল না, যাতে তোমার সব প্রশ্নের জবাব আমায় দিতে হবে!তুমি কি এবার তাহলে রবার্ট উইলসনের জন্যই আমাকে ছেড়ে গেলে? যেমন মার্ককে একদিন আমার জন্য ছেড়েছিলে?

 

ইরিনা উত্তরে বিরক্ত হয়েছিল খুব - কার জন্য কাকে ছাড়ছি, তার উত্তর তুমি পাবে না জেমস! কারণ কারুর জন্যই আমি কাউকে ছাড়ি না! আমার প্রয়োজন মতো তোমাদের ব্যবহার করেছি! প্রয়োজন ফুরিয়েছে, তাই ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছি!

 

কিন্তু এভাবে আর কতকাল চলবে?

 

যতকাল না জীবনের প্রয়োজন ফুরোবে স্টুপিড! বলেই অনাবশ্যক নিষ্ঠুরতায় হেসে উঠেছিল ইরিনা। তার আঘাতে জেমসের হৃৎপিণ্ড ভেঙে গুঁড়িয়েছিল। রক্তের স্রোত বয়েছিল উন্মাদ কষ্টে। অশ্রুর ভারে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল গলার স্বর। জেমস তাই আর কিছু বলেনি। কেবল তার সমস্ত চেতনা জুড়ে ইরিনার হিংস্র হাসি ধ্বংসের রণতাণ্ডবে জ্বলে উঠেছিল।

 

ইরিনার ওয়ান বেডরুম এ্যাপার্টমেন্টের কয়েক গজ দূরেই প্রেসবিটেরিয়ান চার্চ। পার্কিংলটে অন্য রোববারের মত আজও বেশ কিছু ভক্ত নরনারীর ভিড় জমেছে। এ দৃশ্য তার পরিচিত। রোববার সকালে ব্যালকোনিতে দাঁড়ালেই চোখে পড়ে। তার অবশ্য চার্চে যাওয়ার গরজ নেই। বরং যারা যায়, তাদের স্বাভাবিক বুদ্ধিবৃত্তি নিয়ে সংশয় রয়েছে মনে। এমন দৃশ্যে অন্য রোববারের মতো আজও তার আকর্ষণ ছিল না। সেখানে চোখ রেখে মনে মনে সে নতুন প্রেমিক, সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার উইলসনকে নিয়ে ভবিষ্যতের হিসেব নিকেশ কষছিল। যাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ফেলতে গরমিল কখনো না হয়। যাতে দরকার মতো ব্যবহারের পর নিস্পৃহভাবে ছুঁড়ে ফেলা যায়।

 

হঠাৎ চোখে পড়লো, ব্যালকোনির রেলিং জুড়ে কুশলী মাকড়সা কয়েক জোড়া ফাঁদ পেতেছে। তাদের বুনট জালে আটেকে রয়েছে বেশ কয়েকটি শিকার। আপাতত জ্যান্ত দুই পিঁপড়েকে আটকে নেওয়ার কসরৎ করছে ঘাতক। ব্যথায় যন্ত্রনায় জীব দুটো যত বেশি দুমড়ে মুচড়ে ক্লিষ্ট হয়ে যাচ্ছে, ততোই উল্লাসে উৎসাহে ব্যাধের মতো মৃত্যুর উৎসবে মেতে উঠছে মাকড়সা। দেখতে দেখতে সফলতার আনন্দে খিলখিল করে হেসে উঠলো ইরিনা। মনে মনে বললো - মাকড়সার স্বভাবও তাহলে মানুষের মতো হয় নাকি? নাকি মানুষের স্বভাবই হয় মাকড়সার মতো? জেমস কাছে থাকলে বেশ হতো! নির্বোধটাকে অন্তত বুঝিয়ে দেওয়া যেতো, জীবনের প্রয়োজন কেমন করে মেটাতে হয়!

 

কলিংবেল শুনে উঠে এলো ইরিনা। তার পরবর্তী শিকার রবার্ট উইলসন সময়মতোই পৌঁছে গিয়েছে দরজায়। সরাসরি নিজের অফিস থেকে পরশু রাতে এখানে আসার কথা থাকলেও হঠাৎ দরকারি কাজে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বাধ্য হয়েছে। ইরিনা আপত্তি করেনি। বরং শুভাকাঙ্ক্ষিনীর মতো বলেছিল - তোমার অফিসের কাজ অনেক বেশি জরুরি বব। আমি অপেক্ষা করতে পারবো। কিন্তু কাজ সময়ের জন্য অপেক্ষা করবে না। সেটা আগে সেরে নাও। এখানে দুদিন পরে এলে ক্ষতি নেই।

 

তুমি নিশ্চিত ইরিনা?

 

নিশ্চয়ই! জীবনের যে কোনো সিদ্ধান্ত বুদ্ধি দিয়ে বিবেচনা করতে আমি পছন্দ করি। কিন্তু জেমস ছিল এর উল্টো! যে কারণে হাজার চেষ্টা করেও দুজনে একসঙ্গে টিকে থাকতে ব্যর্থ হয়েছি! তা নইলে তাকে সত্যিই বড় ভালোবাসতাম!

এই ধরনের উক্তির পরে কী মন্তব্য করা উচিৎ বুঝতে না পেরে রবার্ট দীর্ঘশ্বাস ঝেড়েছিল - আমি সত্যিই দুঃখিত! বলছি, আমার জন্যই তোমাদের ভুল বোঝাবুঝি হয়নি তো?

 

একদম না বব! প্রশ্নই ওঠে না! আমি আর জেমস অনেক আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আলাদা হয়ে যাওয়ার! দুজনের জীবন দর্শনে যখন এতবড় ফারাক, তখন কিসের ওপর নির্ভর করে পথ চলি বলো তো? সে জন্য জেমসও আমাকে উৎসাহ দিয়েছে বলতে পারো!

উইলসন কোনো উত্তর না দেওয়ায় ইরিনা সংশয় নিয়ে এরপরে জিজ্ঞেস করেছিল - ব্যাপারটা তোমাকে বোঝাতে পেরেছি তো রবার্ট?

 

বোধকরি। অন্তত আমি আমার মতো করে বুঝেছি বলে মনে হয়!

 

ব্যস! ব্যস! ওতেই হবে! বুঝে নেয়ার এই আত্মবিশ্বাস থাকলেই জীবনের পথ চলা অনেক সহজ হয়। মানে আমি বলতে চাইছি যে, পরস্পরকে জেনে নেওয়া সম্ভব হয়!

 

ঠিক বলেছো ইরিনা! সেটা খুব দরকারও!

 

ওয়ান বেডরুম এ্যাপার্টমেন্টের কাউচে বসে উইলসন নতুন বান্ধবীকে নিজের সফল জীবনের বৃত্তান্ত শোনাতে আপাতত ব্যস্ত। তারুণ্য পেরুনো ইরিনা ব্যস্ত হয়েছে নতুন প্রেমিকের কফি তৈরির কাজে। তার বুকের গহীনে ঘাতক মাকড়সা জাল বুনছে বিরতিহীন। রবার্টের কথা শুনতে শুনতে ইরিনা হিসেব কষে গাণিতিক পদক্ষেপে ফাঁদ ফেলছে ধীরে ধীরে। তার মন বলছে - বাইরের আলোয় জগতের চেহারা যতখানি দৃশ্যমান, সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারের মনের চেহারা তার চাইতেও বেশি স্পষ্ট এখন তার অভিজ্ঞ চোখের ক্যামেরায়। এবারেও সে নিশ্চিত তাই, আগের আরও দশটি শিকারের মতো এবারেও অব্যর্থ হবে তার নিশানা! জীবনের প্রয়োজন পূর্ণ হবে সুনিশ্চিত!

Share on Facebook
Share on Twitter
Please reload

জনপ্রিয় পোস্ট

I'm busy working on my blog posts. Watch this space!

Please reload

সাম্প্রতিক পোস্ট
Please reload

A N  O N L I N E  M A G A Z I N E 

Copyright © 2016-2019 Bodh. All rights reserved.

For reprint rights contact: bodhmag@gmail.com

Designed, Developed & Maintained by: Debayan Mukherjee

Contact: +91 98046 04998  |  Mail: questforcreation@gmail.com