সিঙ্গুর- নন্দীগ্রাম থেকে উন্নাও  ভায়া হায়দ্রাবাদ

 

 

সিঙ্গুরে তাপসী মালিককে ধর্ষণ করে খুন করা হল।নন্দীগ্রাম আন্দোলন শুরুর কিছুদিন পর জানা যায় যে অতিক্রান্ত সময়ের এক অংশে ঐ অঞ্চলের শিশুরা ধুলোখেলার বেলায়  নাকি রেপ-রেপ খেলত!(  সে তথ্য মিলেছে একটি নির্ভরযোগ্য সমীক্ষায়।)   

 

যতদিন যায়  একথা সত্য হয়ে উঠেছে যে, আমাদের মাঝে বাস করছেন কিছু “মানুষ” যারা অস্বাভাবিক যৌনলালসায় মত্ত হয়ে নারীর শরীর খুঁড়ছে, প্রমাণ লোপাটে ধর্ষিতা নারীকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারছে। হায় আমার দেশ,  হায় আমার সমাজ, হায় আমার কাল। 

 

ফেসবুক বা যে কোনও মাধ্যম খুললেই সেই ছবি। সকলেই সেইসব নরপিশাচদের নিন্দায় মুখর। কিন্তু, গল্প সেখানেই থেমে নেই। আরও আছে। 

রাহুল গান্ধি বলছেন বিশ্বের ধর্ষণ-রাজধানী হয়ে উঠেছে ভারতবর্ষ আর এদেশে, উন্নাও নাকি সে রাজ্যের ধর্ষণ-রাজধানী। সাধ্বী প্রাচী বললেন, নেহরু এ দেশের প্রথম ধর্ষক! এরকম কাদাছোড়াছুড়ি ওদের এক খেলা, আমরা নিছক দর্শক। 

 

ধর্ষকামীরা যে মানুষের অবয়বে পিশাচ বা পশু তাতে জগতসংসারে কারও মনে বিন্দুমাত্র সংশয় নেই। সকল সুস্থ মানসিকতার মানুষ সেসব পিশাচ বা পশুর দ্রুত চরম শাস্তি চাইছে,  সেও তো স্বাভাবিক। বিচারব্যবস্থা এতোই শ্লথগতির যে বিশ্বাস বা আস্থা রাখাই যায় না। কিন্তু এ চাওয়ার সবটা স্বাভাবিক নয়। 

 

 কিছু মানুষ চাইছে রাষ্ট্র ধর্ষকদের সরাসরি মেরে ফেলুক। এনকাউন্টার বা যে কোনও অজুহাতে। যে কোনও অজুহাতে তারা চায় অপরাধীর চরম শাস্তি। ওদিকে, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলছেন প্রতিহিংসা সুবিচার নয়। দুটো দিকই ভাবায়। 

 

ভাবায় কেন দ্রুত বিচারের আয়োজন করতে পারে না রাষ্ট্র, কেন মানুষ আদালতে যেতে চায় না বা তার সাধ্যে কুলোয় না। অথবা ভাবায়, কেন জনসাধারণ ঘৃণ্য অপরাধে অভিযুক্তদের মৃত্যুদন্ড চায়। কেন কখনও একপক্ষকে পুলিস বিনাবিচারে গুলি করে হত্যা করে আর এক পক্ষ নিরপত্তাহীনতায় ভোগে বা অর্থ বা চাকরির মতো ক্ষতিপূরণের আশায় দোরে দোরে ঘোরে। কে না জানে যে, অর্থ বা প্রশাসনিক ক্ষমতার সঙ্গে যোগাযোগ থাকলে সাত খুন মাপ হয়। নইলে তাপসী বা কামদুনি -কন্যাদের বা তেমন কাউকে পুরুষের নির্লজ্জ কাপুরুষতার শিকার হতে হয়।

প্রতিকারের একমাত্র পথ প্রতিবাদ। আর প্রতিবাদী মানুষ দাবি তুলুক ঃ দ্রুত বিচার সেরে নৃশংস অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া হোক। 

ReplyForward

 

Share on Facebook
Share on Twitter
Please reload

জনপ্রিয় পোস্ট

I'm busy working on my blog posts. Watch this space!

Please reload

সাম্প্রতিক পোস্ট
Please reload

A N  O N L I N E  M A G A Z I N E 

Copyright © 2016-2019 Bodh. All rights reserved.

For reprint rights contact: bodhmag@gmail.com

Designed, Developed & Maintained by: Debayan Mukherjee

Contact: +91 98046 04998  |  Mail: questforcreation@gmail.com