আসাম আন্দোলন ও সারা ভারত আসাম সংহতি মঞ্চ

আসাম আন্দোলনে ও  কিছু ভূমিকাঃ

 

প্রসঙ্গত বলাযেতে পারে বর্তমানের(২০১৭-থেকে আজ পর্যন্ত) আসাম প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মধ্যে সঠিক তথ্য সচেতনতা সৃষ্টি্র উদ্যোগ গ্রহণ করি। কলকাতাসহ সারা ভারতে আন্দোলনের ক্ষেত্রে আমাদের সংগঠন সর্ব ভারতীয় বাঙলা ভাষা মঞ্চ ও ঐকতান গবেষণা পত্র তার যে  বাঙালি প্রেমী ও মানবিক দায়িত্ব পালন করেছেমনেহয়তাও ইতিহাস ভুলে যেতে পারবেনা । কারন ১২ই জানুয়ারি ২০১৮  থেকে লাগাতার ভাবে আজ পর্যন্ত সে কাজে তারা নিবেদিত। এবং এর জন্য আসাম-বিহার-আন্দামান-দিল্লিসহ সারা ভারতব্যাপী প্রচার ও প্রতিবাদ সংগঠিত করার জন্য আমি এই সংগঠনের একজন কর্মী হিসেবে পাটনায় সর্ব্ব ভারতীয় সম্মেলনে, ভাগল পুরে জাতীয় সেমিনারে, বাংলাদেশের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ও দিল্লির আন্তর্জাতিক আলোচনা চক্রে সাধ্যমতো প্রচার ও প্রভাব সৃষ্টির চেষ্টা করেছি।আন্তর্জাতিক বইমেলা মঞ্চ থেকে মিছিলে মিটিং-এ সভাসমাবেশে, বিশেষ বিশেষ মানুষ কে ডেপুটেশনে সে চেষ্টা আমরা করেছি।  ঐকতান প্রকাশ করেছে বহু প্রবন্ধ নিবন্ধসহ একাধিক  বিশেষ সংখ্যা । আর আমরা এজন্যে যৌথ মঞ্চ হিসেবে ঐকতানের আগ্রহে ও আমাদের সর্ব ভারতীয় সভাপতি ডা দিলীপ সিনহার উদ্যোগে গড়ে তুলি সারা ভারত আসাম সংহতি মঞ্চ। যার পরিচালন সমিতিতে ছিলেন অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্য (পূর্বাঞ্চল), ডাঃ ডি কে সিনহা (মধ্য ভারত) ও শ্রী তপন সেনগুপ্ত (উত্তর-পশ্চিম ভারত)।সঞ্চালক ছিলেন ভাষা মঞ্চের সম্পাদক হিসেবে নীতীশ বিশ্বাস। অনেকেই জানেন এই সময় আসাম আন্দোলনের প্রধান মুখ অধ্যাপক তপোধীর ভাট্টাচার্যের একটি লেখা আজকাল পত্রিকায় প্রকাশিত হলে তার নামে পুলিশি হুলিয়া জারি হয়। সেই সময় আমরা বুদ্ধিজীবীদের সংগঠিত করে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ও তার নামে কেস  নিঃশর্ত ভাবে তুলেনেবার জন্য  বাংলার প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী শিল্পী সাহিত্যিকদের  পাঁচ শতাধিক স্বাক্ষর সম্বলিত আবেদন পত্র রাষ্ট্রপতি, রাজ্যপাল, আসাম ও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সহ গণমাধ্যমের সাহায্যে মানুষের কাছে পৌছে দিয়েছিলাম। যেখানে স্বাক্ষর করেন কবি শঙ্খ ঘোষ, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়সহ বিশিষ্টজনেরা । এর ফলে সেযাত্রায় তপোধীর বাবু ছাড়া পান।আমাদের মতে এও এক সম্মিলিত সাফল্য বাংলানভাষী ও বাংলাবাসীদের।আর একথা ইতিহাস বিশ্লেষণ করে বলা যায় যোসামে  ৮০লক্ষ টার্গেট করে দিল্লিথেকে গুয়াহাটি-দিসপুরের যেচক্রান্ত ছিলো তা যে ১৯-২০লক্ষে নেমে এলো এর পেছনে কলকাতার মানুষের এমন কি শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলির মদতের নানা শক্তির প্রতিবাদের ফলেও তা হয়েছে। এক্ষেত্রে তাদের ঘুম ভাঙানো প্রভাত পাখির দায়িত্ব পালন করেছিলাম ছিলাম আমরা ।

 

 

আজ  বি জে পি কি চায় ?

 দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পটভূমিতে হিটলার জার্মানের ইহুদিদের মূলশত্র ঘোষণা করে আর্য-রক্তের বিশুদ্ধতা ও শ্রেষ্ঠত্বের তত্ত্ব নিয়ে এসেছিলো । কিন্তু সকলেই জানেন এর পটভূমিতে বিশ্বমন্দার কথাও ।অর্থাৎ পেছনে ছিলো সাম্রাজ্যবাদীদের ভয়ানক আর্থিক সংকট।  তেমনি আর হিটলারের মতো  মোদি সরকার এসে তাদের যারা নানা ভাবে সহায়তা করে গদিতে বসিয়েছে সেই কর্পোরেট কালোচক্রকে ব্যাংক থেকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা চুরি করা ও তা নাফেরত দেবার ব্যবস্থা করে মধবিত্ত ও দরিদ্র ভারত বাসীকে দিনে দিনে সর্বহারায় করেদেবার বিশাল চক্রান্ত করছে। আর তার বিরুদ্ধে মানুষ যাতে প্রতিবাদ না করতে পারে তাই তদের ধর্মের নামে, সম্প্রদায়ের নামে এমন কি ভাষার নামে বিভাজিত করে দাঙ্গায় লিপ্তকরেদিতের চায়। কয়েকটা ভোটের জন্য এই অপশক্তি যুদ্ধের নামে শত শত প্রাণকেও বলি দিতে পেছপা হয় না । কারণ সকলেই জানেন গুজরাটের নির্মম গণ হত্যায় এরা ব্যবহার করেছিলো সরকারকে আর উন্মত্ত সাধারণ মানুষকে। সেই নায়কেরা এটাকেই যে রাজ ধর্ম মনেকরে তার পরিচয় আজ আমরা নিত্য দিনে, জীবনদিয়ে বুঝতে পারছি। সে ভয়াবহ আর্থিক নিম্নগামিতার  আবর্তে ভারতের মতোদেশে আবির্ভূত এই ফ্যাশিস্ত শক্তি। ভারতে বৃটিশের বন্ধু হিসেবে ১৯২৫শে যার বীজ রোপিত হয়েছিল।এই আর এস এস- আজ কর্পোরেট-ডল (ধনীর পুতুল) হয়ে ভারত দখল করেছে। সেই মোদী সরকারের লোকসভার স্পীকারএই উন্নত বিজ্ঞানের যুগেও হিটলারের মতো  ব্রাহ্মণের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে নির্লজ্জেরমতোবিজ্ঞানবিরোধী কথা উচ্চারণ করেন। আর মোদি দিচ্ছেন গনেশের মাথার উন্নত শল্যচিকিৎসার দৃষ্টান্ত। এই সব জড়িয়ে এদেশের ইতিহাসবেয়ে নানা ঘটনার যে ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়েছে তাতে আমরা দেখতে পাচ্ছি এখানে ফ্যাসিস্তদের শত্রু কেবল মুসলিম আর দলিতরাই নয় । দেশভাগের আর এক উপাদান বাঙালিও তার এক বড়শত্রু। কারণ বাংলার নবজাগরণ ভারতকে আলো ছড়িয়ে ছিল।  আর তাদের বিশ্ব গুরু হিটলারকে পরাজিত করেছিলো যে রেড আর্মি  তথা সাম্যবাদীরা। সে কথা স্মরণে রেখেই তারা কমিউনিস্টদের মহাশত্রু ভাবে । এই প্রক্ষিতে সকলেই জানেন ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে এই শাসক শ্রেণির চোখে যে পাকিস্তান মূলশত্রু; সেই পাকিস্তান সংশ্লিষ্ট অঞ্চল তথা গুজরাট থেকে হরিয়ানা-পাঞ্জাব নয় তারা প্রথম এন আর সি-দাবানল জ্বালানো শুরু করল বাঙালি সংখ্যাধিক্যের রাজ্য আসামে। আর সারা দেশে শ্লোগান হাঁকলো বাংলাভাষী মানেই বাংলা দেশী। এর পেছনের কারণ হল বিপ্লবী বাংলাকে দুর্বল করে রাখার দীর্ঘ-প্রলম্বিত চক্রান্ত । তাই ১৯১২তে রাজধানী দিল্লি চলেগেল, তাই কলকাতা পশ্চিমাদের কাছে মিছিল নগরী, তাই ১৯৮৫সালে আসাম চুক্তি হল অসমিয়া উগ্র-জাত্যভিমানকে হাওয়াদিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে, বাঙালির বিরুদ্ধে এই দাঙ্গা-বাজদের  চাগিয়ে দিতে। তারই অনুসঙ্গে ২০০৩এর নাগরিক আইনে ঢুকল এই এন আর সি(N R C), 6A ধারাসহ আরো নানা স্বৈরাচারী বিভিন্ন ধারা। আর আজ তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহেরা বলেন বাঙালি ঘুসপেটিয়া  হল উইপোকা তাদের কেরোশিন দিয়ে পুড়িয়ে দাও। হিটলার যেমন ইহুদিদের বলতো ইঁদুর। যাদের মারতে আমাদের সামাজিক মন সংকুচিত হয় না। এই গুটি সাজিয়েই বাঙালি উদ্বাস্তুদের ১৮টি রাজ্যে ভাগভাগ করে ছুঁড়ে ফেলা হয়ে্ছিল বহুআগে থেকেই । তখন আমাদের রবীন্দ্রপ্রেমী বিশ্ববাঙালিরা  এই দলিত বাঙালিদের ভাই ভাবতেও সংকোচ বোধ করতো।তাদের কোন বিপদের দিনে তাদের প্রতি  কেউই  কোনভাবেই ফিরে তাকায় নি। কৌশল এমন যে তাদের কোন একটি রাজ্যে বেশি সংখ্যক উদ্বাস্তু পাঠানো হয়নি,  যাতে সেখানে তারা একটা শক্তি হয়ে উঠতে পারে। তাই আন্দামানে কিছু বাঙালি উদ্বাস্তু বেশি চলে গিয়েছিল বলে এই বাংলার শাসকেরা সেখানে স্কুলগুলিকে এরাজ্যের সিলেবাস পড়তে দিলোনা । বাংলা বই দিলোনা ।সেখানের কলেজগুলি আজও পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন । কলকাতা তাদের অনুমোদন দেয়নি। আজ বাস্তবত আন্দামানে বাঙালির সংখ্যা ৬০%এর বেশি হলেও তাদের যেনো কোন অধিকারই নেই। অন্যদিকে তাদের বিষয়ে এ বাংলায়ও টুশব্দটি নেই। এই ফাঁকে ঘন দক্ষিণপন্থা তাদের মধ্যে গেঁড়ে বসেছে।আসলে বনেদী বাঙালির আত্মজন-উপেক্ষার এই হচ্ছে পরিনতি।তাই ভারতে বাঙালি হচ্ছে আজ আত্মদীর্ণ এক দুর্বল জাতি।যে আগুণ আজ আপনার রান্না ঘরেও কান্নার রোল উতরোল সৃষ্টি করে চলেছ। কারণ যুদ্ধটা আজ  বাঙালি বনাম বিজেপির তথা আর এস এসের ।

 

 

ক্যা (CAA) নিয়ে একটু আগে পরের ভাবনাঃ  অমরা যারা No ক্যা (CAA), No-NPR, No NRCবলছি; ঠিকই বলছি কিন্তু পিলসুজের নীচের অন্ধকার কিভাবে মোচন করা যাবে তা ভাবছি কি? তা যদি সঠিক ভাবে আমরা না ভাবি, তাহলে এই সব ফাঁক ফোকর-দিয়ে  মানুষ যদি বিভ্রান্ত হন তাহলে আমাদের কি উত্তর হবে তাও তো ভাবতে হবে। আমরাতো চোখবুঁজে সব বাঙালি উদ্বাস্তুদের ফ্যাসিস্টদের দিকে ঠেলে দিতে পারি না ।তাই বলে এটা সহজ ও অতি সরলিকৃত সিদ্ধান্ত হবে যে আমরা কি তাহলে কোন প্রশ্ন নাকরে ক্যা(CAA)২০১৯ মেনে নেবো?-- নিশ্চয়ই নয়। কারণ নাগরিক আইনের এই ধর্ম-কেন্দ্রিক সংশোধনের দ্বারা  সংবিধানের ধর্ম নিরেপেক্ষ চরিত্র  ভূলুন্ঠিত হবে। যা কোন গণতান্ত্রিক মানুষ মানতে পারেন না ।  শুধু তাই-ই নয়  নাগরিক আইনের এই নয়া সংশোধনীতে যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে সে সব কাগজ-পত্র  গরিব মানুষেরা সংগ্রহ করবেন কিভাবে-সেটাও এক বড় প্রশ্ন। কে তাদের এনে দেবে-১(ক) বাংলাদেশে থেকে ধর্মীয় নির্যাতনে চলে আসার সার্টিফিকেট ? (খ)কি ভাবে তারা যোগাড় করবেন ধর্মীয় পরিচয় পত্র? ২।যে মতুয়াদের একাংশ মনুবাদ বিরোধী হরিচাঁদের দার্শনিক ও ধর্মীয় আনুগত্যে বিশ্বাসী তথাকথিত হিন্দুধর্ম মানেন না । যারা আম্বেদকর অনুগামী। যে ডঃ আম্বেদকর ১৯২৭ সালে এই মনুসংহিতা দাহ করে হিন্দুধর্মের বিরুদ্ধতা করেছিলেন। সেই হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ, আম্বেদকর-পেরিয়ারের অনুগামীরা কেন হিন্দুত্বের কাপালিক তিলক পরে নতুন করে হাজার বছর আগের সামন্ত বিশ্বাসের কাছে মাথা মুন্ডন করতে যাবেন? এ হল জোর করে হিন্দুধর্মের বেষ্টনীতে এই অনেকাংশে মুক্তচিন্তার ও লোকায়ত বিশ্বাসের  মানুষদের ঠেলে নেওয়ার অপকৌশল।

 

সময়ের কিছু কথা এবংঃ  

 

কোন দেশের শাসকগোষ্ঠী যখন  মানুষের সার্বিক কল্যাণে কাজ না করে সংকীর্ণ স্বার্থে কাজকরে তার পরিনতি কি হতেপারে আমরা আজ সেই সর্বনাশের পাড়ে এসে দাঁড়িয়েছি ।নিজেদের ধনবাদী প্রভূদের স্বার্থে গৃহীত প্রধান অর্থনৈতিক বিপর্যয়গুলিকে আড়াল করতে ভারতের বর্তমান বিজেপি সরকার জাতীয় জীবনে নানা ধরণের অপ্রয়োজনীয় সমস্যা সৃষ্টিকরে অকল্যাণকর নানা পদক্ষেপ দিচ্ছে।সে ৩৭০ ধারা, বাবরির আইনী নেকটা অন্ধ সমাধান, এন আর সি, আসাম সমস্যা, ক্যা(CAA)পাশ ইত্যাদি। -এসবের পেছনে অবশ্যই কাজকরছে বিগত সরকার গুলির নানা ভুল, অসমাপ্ত ও অবহেলিত নানা প্রকল্পের বিষাক্ত অবশেষ।যার একটি হল দেশ ভাগের চক্রান্তের বলি বাঙালি উদ্বস্তু সমস্যা। আপাত ভাবে মনে হতে পারে বিজেপি-সরকার  আইনীপথে NRC-NPR-সহ যে সব পদক্ষেপ দিচ্ছে তার হয়তো  সত্যিই প্রয়োজনীয় ছিল। আর কেন্দ্রীয় সরকার তার অন্যায় কাজের পেছনে যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয়করে শক্তিশালী গণমাধ্যমগুলিকে দেদার ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে তো তার সামনে সাধারণের স্বার্থ বাদীরা তো অনেকাংশে অসহায়।যার পরিনতিতে আজকের এই সমকালীন বেদনাবহ্নি ও উদ্বেগের ভয়াবহতা ।                                                          অর্থাৎ আর এস এস তাদের ভয়ানক দর্শনের স্বার্থে খুবই পরিকল্পিত পদক্ষেপে জাতির এই সর্বনাশ গুলি করেচলেছে । আমার মনে হয়েছে জাতির কল্যাণ চান,যে সব বিরোধী দলগুলি তারা এদের এই সব বিষয়ে  উপযুক্ত নজর আগে থেকে দেয়নি। বিশেষ করে কংগ্রেস সহ পূর্ব শাসকদের শ্রেণী স্বার্থরক্ষাকারী নানা ভুল পদক্ষেপ, আর সংগঠিত বিরোধী ও বামদলগুলির শক্তি সামর্থের অভাবে ও যথা সময়ে যথার্থ ভূমিকা গ্রহণের দুর্বলতায়  মানুষকে তারা   সঠিক পথে চলতে সাহায্য করেনি। তা হলে আজকের শাসকদের দ্বারা যে ভয়াবহ সর্বনাশ দেশের হচ্ছে তা এতোটা  হতে পারতোনা । বিশেষ করে নাগরিক আইন-সংশোধন ও তার দ্বারা উদ্বাস্তুদের এতো ক্ষতি হতোনা।সেই বেহুলা ছিদ্র পথে এই কালনাগিনী ঢুকে পড়ছে গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতীক লখিনদরের লোহার বাসরে ।তবে আজ সে সব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভুল তথা অপরাধ গুলি স্মরণে রাখলেও তা আমাদের প্রধান আলোচ্য নয়।কারণ সারা দেশে বাঙালিরা সে সব অন্যায় হজম করে,বেদনায় বুক বেঁধেই বেঁচেছিলেন এবং নাগরিক অধিকার-হীনতা আর মানবিক নানা অবিচার একইসঙ্গে অঙ্গে ধারণ করে, ধীরে ধীরে হলেও তারা  মাথাতুলে দাঁড়াতে চেষ্টা করেছিলেন ।কিছুটা নাগরিক অধিকার কোথাও কোথাও তারা পেতেও শুরুকরেছিলেন।

Share on Facebook
Share on Twitter
Please reload

জনপ্রিয় পোস্ট

I'm busy working on my blog posts. Watch this space!

Please reload

সাম্প্রতিক পোস্ট
Please reload

A N  O N L I N E  M A G A Z I N E 

Copyright © 2016-2019 Bodh. All rights reserved.

For reprint rights contact: bodhmag@gmail.com

Designed, Developed & Maintained by: Debayan Mukherjee

Contact: +91 98046 04998  |  Mail: questforcreation@gmail.com